চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় মীর নাসিরের জামিন

দেশে চলমান করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় কারাগারে থাকা বিএনপি নেতা ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনকে জামিন দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির ভার্চুয়াল আপিল বেঞ্চ এই জামিন আদেশ দেন। এসময় আদালত বলেন, ‘করোনা বিবেচনায় জামিন আদেশ দেওয়া হল।’

বিজ্ঞাপন

আদালতে মীর নাসিরের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। আর দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান।

বিজ্ঞাপন

দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত বিএনপির এই নেতা গত বছরের ৮ নভেম্বর ঢাকার ২ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তারপর থেকে তিনি কারাগারে আছেন। এই মামলায় দণ্ডিত তার ছেলে মীর হেলাল উদ্দিন গত ২৭ অক্টোবর আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তবে পরে জামিনে মুক্ত হন মীর হেলাল। জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে মীর নাসির ও মীর হেলালের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের ৬ মার্চ গুলশান থানায় মামলা করে দুদক। সে মামলায় বিশেষ জজ আদালত মীর নাসিরকে ১৩ বছর এবং মীর হেলালকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেন।

ওই রায়ের বিরুদ্ধে তারা হাইকোর্টে আপিল করেন। হাইকোর্ট ২০১০ সালের ১০ আগস্ট মীর নাসির ও মীর হেলালের সাজা বাতিল করে রায় দেন। তবে হাইকোর্টের সেই রায় বাতিল চেয়ে দুদক পরে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করে। এরপর আপিল বিভাগ ২০১৪ সালের ৩ জুলাই হাইকোর্টের রায় বাতিল করে পুনরায় হাইকোর্টেই মামলাটি বিচারের নির্দেশ দেয়। জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে মীর নাসির ও মীর হেলালের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের ৬ মার্চ গুলশান থানায় মামলা করে দুদক। সে মামলায় বিশেষ জজ আদালত মীর নাসিরকে ১৩ বছর এবং মীর হেলালকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে তারা হাইকোর্টে আপিল করেন। হাইকোর্ট ২০১০ সালের ১০ আগস্ট মীর নাসির ও মীর হেলালের সাজা বাতিল করে রায় দেন।

তবে হাইকোর্টের সেই রায় বাতিল চেয়ে দুদক পরে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করে। এরপর আপিল বিভাগ ২০১৪ সালের ৩ জুলাই হাইকোর্টের রায় বাতিল করে পুনরায় হাইকোর্টেই মামলাটি বিচারের নির্দেশ দেয়।