চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনা পরিস্থিতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে

দেশে করোনাভাইরাসে মোট আক্রান্ত ৩ লাখ ৩২ হাজার ৯৭০ জন, আর এদের মধ্যে থেকে সবমিলিয়ে সুস্থ হওয়ার সংখ্যা ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৬০। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৭০.১৪ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৭৪৬ জন। এদিন সুস্থতার হার ৭০ শতাংশের বেশি ছিলো। নতুন করে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন আরও ১ হাজার ৮৯২ জন। যদিও এইদিনে মৃত্যু হয়েছে ৪১ জনের, সবমিলিয়ে মোট মৃত্যু ৪ হাজার ৬৩৪ জন।

করোনা মোকাবিলায় এখন পর্যন্ত কোনো ওষুধ বা প্রতিষেধক হিসেবে ভ্যাকসিন আবিষ্কার না হলেও পরোক্ষ নানা চিকিৎসা আর প্রস্তুতিতে সুস্থ হয়ে উঠছেন দেশের আক্রান্ত জনগণ। তাছাড়া করোনার চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে হাসপাতালে সিট ও আইসিইউ বেড নিয়েও হাহাকার এখন নেই বললেই চলে। সার্বিক দিক এবং সুস্থ ও আক্রান্তের সংখ্যা বিচারে পরিস্থিতি অনেকটাই ইতিবাচক বললে ভুল হবে না।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

করোনার ভ্যাকসিন তৈরির খবর আমাদের যেমন আশাবাদী করছে, তেমনি ভ্যাকসিন পেতে নানা কূটনৈতিক তৎপরতাও চোখে পড়ছে। আজও জাতীয় সংসদে অধিবেশনে দেয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘ভ্যাকসিনের ব্যাপারে সব দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে, অর্থ বরাদ্দও দেয়া হয়েছে।’ হয়তো খুব দ্রুতই সহজলভ্য হবে এই ভ্যাকসিন।

বিজ্ঞাপন

আরেকটি বিষয়ে আলোকপাত করা যেতে পারে। তা হচ্ছে, মোকাবিলায় একযোগে কাজ করতে ঘোষণাপত্রে সাক্ষর করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সদস্য দেশগুলো। মহামারীর সময়ে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা সরবরাহের জন্য আরও ভালো চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ, আঞ্চলিক দায়িত্বশীলতা আরও দৃঢ় করার মাধ্যমে কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে যৌথভাবে লড়াইয়ের সংকল্প করেছে দেশগুলো। বিশেষ করে সর্বাধিক দুর্বল জনগণসহ সবার জন্য করোনা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সেবার ক্ষেত্রে মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা দিতে তারা একমত হয়েছে।

করোনা নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূলে সচেতন হবার পাশাপাশি সঠিক সিদ্ধান্ত ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা খুবই জরুরি। সেইধারায় উপরোক্ত বিষয়গুলো দেশের জনগণকে মানসিকভাবে শক্তিশালী করার পাশাপাশি ভবিষ্যত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় খুবই কার্যকর হবে বলে আমরা মনে করি। করোনা অনেকটা নাটকীয়ভাবে এই পৃথিবীতে এসেছে, নাটকের দৃশ্যপট পরিবর্তনের মতোই এর বিদায় হওয়াটা সময়ের ব্যাপার মাত্র।