চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনা চিকিৎসায় চীনের প্রাচীন ওষুধে সাফল্য: বিশেষজ্ঞের দাবি

করোনাভাইরাসের মহামারীতে আতঙ্কিত সারাবিশ্ব, পাওয়া যাচ্ছে না কোনো প্রতিষেধক। এরই মাঝে চীন থেকেই আসছে আশার খবর। করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে চীনের নিজস্ব ওষুধ ট্রেডিশনাল চাইনিজ মেডিসিন (টিসিএম) ব্যবহার করে সফলতা পাওয়া যাচ্ছে বলছে চীনের একজন টিসিএম বিশেষজ্ঞ।

এখবর জানিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দেশটির সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার বেইজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বেইজিং বিশ্ববিদ্যালয়ের চাইনিজ মেডিসিন বিভাগের উপ-প্রধান ওয়াং ওয়েই বলছেন, এ জাতীয় নতুন এবং অজানা মহামারী রোগের মুখোমুখি হতে ট্রেডিশনাল চাইনিজ মেডিসিন বা টিসিএমে অনন্য সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে।

তিনি বলেন, টিসিএমে কোভিড-১৯ মহামারীর মৃত্যুর হার কমছে এবং অসুস্থদের সুস্থতার হার উন্নতিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করার প্রমাণ মিলছে।

বিজ্ঞাপন

ওয়াং আরও বলছেন, রোগের লক্ষণসমূহ, রোগ সূচনার সময়, অঞ্চল এবং মৌসুম এবং অন্যান্য বিষয়গুলোর ওপর ভিত্তি করে টিসিএম চিকিৎসা চালানো যেতে পারে। এছাড়াও অতি দ্রুত এর ক্লিনিক্যাল ব্যবহারে একটি চিকিৎসা পরিকল্পনা গ্রহণ করা যেতে পারে।

তিনি বলেন, মহামারীগুলোর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য টিসিএমের ক্লাসিক ও সমৃদ্ধ অনেক বই রয়েছে, আমাদের এসব বই সম্পর্কে আরও গভীরভাবে পড়া ও গবেষণা করা উচিত। আর তা অবশ্যই জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রকল্পের মাধ্যমে।

টিসিএম এবং পাশ্চাত্য মেডিসিনের সম্মিলিত ব্যবহারের মাধ্যমে কোভিড-১৯ এর ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা নিয়েও গবেষণা করার ওপর জোর দেন তিনি।

করোনাভাইরাসে চীন আক্রান্ত হয়েছে ৮২ হাজার ৭৩৫ জন। আর মারা গেছে ৪ হাজার ৬৩২ জন। তবে আক্রান্তদের অনেকেই চীনের প্রাচীন এই ওষুধ সেবন করে সুস্থ হয়ে উঠছে বলে দাবি করা হচ্ছে। উহানের অধিকাংশ রোগী টিসিএম সেবনে উপকৃত হচ্ছেন বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

উত্তর-পূর্ক চীনের হিলংজিয়াং প্রদেশের হারবিন ফার্মাসিউটিক্যাল গ্রুপের একটি কারখানায় ট্রেডিশনাল চাইনিজ ওষুধ তৈরি করতে দেখা গেছে বলে জানিয়েছে সিনহুয়া।