চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনা: কক্সবাজারে আইসোলেশন ও ট্রিটমেন্ট সেন্টার চালু

স্থানীয় ও রোহিঙ্গা সবাই সেবা পাবে

বাংলাদেশ সরকার ও ইউএনএইচসিআরের যৌথ উদ্যোগে করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্তদের চিকিৎসায় কক্সবাজারে দুটি  সিভিয়ার অ্যাকিউট রেস্পিরেটরি ইনফেকশন (এসএআরআই) আইসোলেশন অ্যান্ড ট্রিটমেন্ট সেন্টার চালু করা হয়েছে।

প্রায় ২০০ শয্যা বিশিষ্ট এই ট্রিটমেন্ট সেন্টারে সেবা পাবেন মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা এবং স্থানীয় জনগণ।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন দুইটি সিভিয়ার অ্যাকিউট রেস্পিরেটরি ইনফেকশন আইসোলেশন অ্যান্ড ট্রিটমেন্ট সেন্টার (এসএআরআই আইটিসি) উদ্বোধন করেন।

এসএআরআই আইটিসিরের একটি কুতুপালং ৫ নম্বর ক্যাম্পে ও অন্য উখিয়ায় অবস্থিত। প্রায় ২০০ শয্যা বিশিষ্ট এই কেন্দ্র দুইটিতে কোভিড-১৯ এর গুরুতর রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেয়া হবে।

বিজ্ঞাপন

উখিয়ায় ১৪৪ শয্যার দ্বিতীয় এসএআরআই আইটিসিটি উদ্বোধন করে জেলা প্রশাসক বলেন, “সরকারের পক্ষ থেকে ইউএনএইচসিআরকে জানাচ্ছি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। ইউএনএইচসিআর-এর তৈরি এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে শরণার্থী ও স্থানীয় কোভিড-১৯ রোগীদের সেবা দেয়া হবে।”

ইউএনএইচসিআর-এর সিনিয়র অপারেশনস ম্যানেজার হিনাকো টোকি বলেন, “এখন ক্যাম্পের ভেতরের ও বাইরের রোগীদের আইসোলেশন করে চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হবে, যেন তারা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরতে পারেন। গুরুতর রোগীদের আইসোলেশন সেন্টারে রাখার কারণে তাদের পরিবার ও এলাকা কম ঝুঁকিতে থাকবে। এটি আমাদের সবার একটি সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও অর্জন।”

ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে: এই দুইটি এসএআরআই আইটিসি কোভিড-১৯ মোকাবেলায় বাংলাদেশ সরকারকে সহায়তার বৃহত্তর মানবিক প্রয়াসের একটি অংশ। এর আরেকটি উদ্দেশ্য এই রোগের গুরুতর রোগীদের মেডিক্যাল চাহিদা নিশ্চিত করা। পুরো জেলায় শরণার্থী ও স্থানীয়দের জন্য ১২টি এসএআরআই আইটিসি করা হবে, যেখানে সর্বমোট শয্যা সংখ্যা হবে ১,৯০০টি।

এছাড়া, কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ইউএনএইচসিআর এর সহযোগিতায় তৈরি হচ্ছে ১০টি আইসিইউ বেড ও ৮টি হাই ডিপেনডেন্সি বেড। শীঘ্রই শেষ হতে যাওয়া এই ইউনিটে জনবলও দিবে ইউএনএইচসিআর, যাদের কাজ হবে গুরুতর রোগীদের সেবা দান।