চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনায় ১৭ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন মৃত্যু

শনাক্ত ১.৩৬ শতাংশ

দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণের ৫৯৪তম দিনে চারজনের মৃত্যুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৮০৫ জন। আর শনাক্তের হার কমে হয়েছে এক দশমিক ৩৬ শতাংশ।

এক দিনে মৃত্যুর এই সংখ্যা গত ১৭ মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম। এর আগে গত বছরের ৬ মে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন ২৩২ জন। গত ৫ আগস্ট দেশে সর্বোচ্চ ২৬৪ জন রোগী মারা যায়। গত ২৮ জুলাই সর্বোচ্চ শনাক্ত হয় ১৬ হাজার ২৩০ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. নাসিমা সুলতানার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‍শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় (অ্যান্টিজেন টেস্টসহ) ১৭ হাজার ১০০টি পরীক্ষায় ২৩২ জন এই ভাইরাসে শনাক্ত হয়েছেন। এই সময়ে পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার এক দশমিক ৩৬ শতাংশ।

তবে শুরু থেকে মোট পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

সরকারি ব্যবস্থাপনায় এখন পর্যন্ত ৭৪ লাখ ৩৯ হাজার ৯২২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ২৭ লাখ ৪৮ হাজার ৭০১টি নমুনা। অর্থাৎ মোট পরীক্ষা করা হয়েছে এক কোটি এক লাখ ৮৮ হাজার ৬২৩টি নমুনা। এর মধ্যে শনাক্ত হয়েছেন ১৫ লাখ ৬৭ হাজার ১৩৯ জন। তাদের মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় ৫৬৪ জনসহ মোট ১৫ লাখ ৩০ হাজার ৬৪৭ জন সুস্থ হয়েছেন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

গত ২৪ ঘণ্টায় যে চারজন মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের মধ্যে দু’জন পুরুষ ও দু’জন নারী। তাদের মধ্যে সবার হাসপাতালে (সরকারিতে চারজন) মৃত্যু হয়েছে। তারাসহ মৃতের মোট সংখ্যা ২৭ হাজার ৮০৫ জন। মোট শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৭৭ শতাংশ।

এখন পর্যন্ত সরকারি হাসপাতালে মারা গিয়েছেন ২৩ হাজার ৬৪৩ জন, যার শতকরা হার ৮৫ দশমিক ০৩ শতাংশ। বেসরকারি হাসপাতালে মারা গিয়েছেন তিন হাজার ৩৫৩ জন, যার শতকরা হার ১২ দশমিক ০৬ শতাংশ। বাসায় ৭৭৫ জন মারা গিয়েছেন, যার শতকরা হার দুই দশমিক ৭৯। এছাড়াও মৃত অবস্থায় হাসপাতালে এসেছেন ৩৪ জন, যার শতকরা হার দশমিক ১২ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত ১৭ হাজার ৮০৮ জন পুরুষ মারা গেছেন যা মোট মৃত্যুর ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ এবং নয় হাজার ৯৯৭ জন নারী মৃত্যুবরণ করেছেন যা মোট মৃত্যুর ৩৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত চারজনের মধ্যে পঞ্চাশোর্ধ্ব তিনজন ও সত্তরোর্ধ্ব একজন।

আর বিভাগওয়ারী হিসাবে ঢাকা বিভাগে দু’জন, চট্টগ্রাম বিভাগে একজন ও বরিশাল বিভাগে একজন।

করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২২২টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ২৪ কোটি ৩৩ লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৪৯ লাখ ৪৭ হাজারের বেশি মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ২২ কোটি পাঁচ লাখের বেশি।

বিজ্ঞাপন