চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনায় হতদরিদ্র মানুষের দ্বারে দ্বারে কক্সবাজারে অগ্রযাত্রা

বিশ্ব মহামারীতে দিশেহারা সমগ্র বিশ্ব, দিশেহারা বাংলাদেশও। কঠিন সময়ে বিভিন্ন গোষ্ঠী, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে। প্রসারিত করছে সাহায্যের হাত। তেমনই একটি সংস্থা অগ্রযাত্রা।

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাটি হতদরিদ্র মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করেছে। সেই সাথে বাড়িতে, বাজারে, মসজিদে সহ বিভিন্ন স্থানে জীবাণুনাশক স্প্রে মারছে এবং স্থানীয়দের করোনা বিষয়ে সচেতন করছে সংগঠনটির ১৫০ শতাধিক কর্মী। অসহায় কৃষকদের ধান কাটতেও তাদের কর্মীরা সহযোগিতা করছে।

বিজ্ঞাপন

এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি কক্সবাজারের ২৫০টি হতদরিদ্র পরিবারকে জরুরি খাদ্য সামগ্রী সাহায্য প্রদান করেছে। প্রত্যেকের ঘরে ঘরে গিয়ে নিত্য প্রয়োজনীয় খাবার পৌঁছে দিয়েছে অগ্রযাত্রার কর্মীরা।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

আরো ৪০০ হতদরিদ্র পরিবারের কাছে সাহায্যের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানালেন সংস্থাটির সভাপতি নীলিমা আক্তার চৌধুরী।

তিনি বলেন, কোভিড-১৯ করোনাভাইরাস একটি বিশ্ব মহামারী। এই সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব।এক বড় ঈমানী পরীক্ষা। দূর্গত, হতদরিদ্র, অসহায় মানুষের পাশে থাকার পরীক্ষা। অগ্রযাত্রা কক্সবাজার জেলার হতদরিদ্র ২৫০ পরিবারকে প্রাথমিকভাবে ঘরে ঘরে কিছু নিত্য প্রয়োজনীয় খাবার পৌঁছে দিতে পেরে ভালো লাগছে। আমরা সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

নীলিমা চৌধুরী বলেন, আমাদের ১৫০ জন একনিষ্ঠ স্বেচ্ছাসেবক গ্রামে গ্রামে গিয়ে কাজ করছে। মানুষকে অনুপ্রেরণা দিচ্ছ, সহযোগিতা করছে। কক্সবাজারের রামু, উখিয়া, চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে কাজ চলছে আমাদের। কর্মীরা শুধু সাহায্য দিয়েই থেমে নেই। একই সাথে স্থানীয়দের ওয়াশিং ডিভাইসের মাধ্যমে হাত ধোয়ার প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, বিভিন্ন স্থানে জীবাণুনাশক স্প্রে মারা হচ্ছে। কক্সবাজারে আমরা সবার আগে জীবাণুনাশক স্প্রে ছিঁটানো শুরু করেছি।

এই সংকটে যুবকদের অনুপ্রাণিত করতে কাজ করছেন বলে জানালেন নীলিমা চৌধুরী। নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার ট্রেনিং ও স্বেচ্ছাসেবকদের যাবতীয় প্রটেকশন দিয়ে মাঠে নামিয়েছি। আমরা বলছি, তোমরা এগিয়ে যাও, আমরা করবো জয় নিশ্চয় একদিন।