চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনায় মৃত্যু ২১ হাজার ছাড়াল

কোভিড-১৯ সংক্রমণের ৫১৩তম দিনে দেশে ২৩৫ জনের মৃত্যুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ৩৯৭ জন। এই সময়ে শনাক্ত হয়েছেন ১৫ হাজার ৭৭৬ জন রোগী।

এর আগে ২৭ জুলাই দেশে সর্বোচ্চ ২৫৮ জন রোগী মারা যায়, আর ২৮ জুলাই সর্বোচ্চ শনাক্ত হয় ১৬ হাজার ২৩০ জন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. নাসিমা সুলতানার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় (অ্যান্টিজেন টেস্টসহ) ৫৫ হাজার ২৮৪টি নমুনা পরীক্ষায় ১৫ হাজার ৭৭৬ জন এই ভাইরাসে শনাক্ত হয়েছেন। এই সময়ে পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ২৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

তবে শুরু থেকে মোট পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৪১ শতাংশ।

সরকারী ব্যবস্থাপনায় এখন পর্যন্ত ৫৮ লাখ ১৮ হাজার ৭৭০ নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, বেসরকারী ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ২০ লাখ ৮০ হাজার ৩৯৯টি নমুনা। অর্থাৎ, মোট পরীক্ষা করা হয়েছে ৭৮ লাখ ৯৯ হাজার ১৬৯টি নমুনা। এর মধ্যে শনাক্ত হয়েছেন ১২ লাখ ৯৬ হাজার ৯৩ জন। তাদের মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় ১৬ হাজার ২৯৭ জনসহ মোট ১১ লাখ ২৫ হাজার ৪৫ জন সুস্থ হয়েছেন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৬ দশমিক ৮০ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

গত ২৪ ঘণ্টায় যে ২৩৫ জন মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের মধ্যে ১৪০ জন পুরুষ ও ৯৫ জন নারী। তাদের মধ্যে ২১৯ জনের হাসপাতালে (সরকারিতে ১৭৩ জন, বেসরকারিতে ৪৬ জন) ও বাড়িতে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও হাসপাতালে মৃত অবস্থায় একজনকে আনা হয়েছে। তারাসহ মৃতের মোট সংখ্যা ২১ হাজার ৩৯৭ জন। মোট শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৬৫ শতাংশ।

এখন পর্যন্ত সরকারি হাসপাতালে মারা গিয়েছেন ১৮ হাজার ৫৯৬ জন, যার শতকরা হার ৮৬ দশমিক ৯১ শতাংশ। বেসরকারি হাসপাতালে মারা গিয়েছেন দুই হাজার ১৭২ জন, যার শতকরা হার ১০ দশমিক ১৫ শতাংশ। বাসায় ৬০২ জন মারা গিয়েছেন, যার শতকরা হার দুই দশমিক ৮১। এছাড়াও মৃত অবস্থায় হাসপাতালে এসেছেন ২৭ জন, যার শতকরা হার দশমিক ১৩ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত ১৪ হাজার ৪১৯ জন পুরুষ মারা গেছেন যা মোট মৃত্যুর ৬৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং ছয় হাজার ৯৭৮ জন নারী মৃত্যুবরণ করেছেন যা মোট মৃত্যুর ৩২ দশমিক ৬১ শতাংশ।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ২৩৫ জনের মধ্যে এগারো থেকে বিশ বয়সী একজন, একুশ থেকে ত্রিশ বয়সী চারজন, ত্রিশোর্ধ্ব ১৫ জন, চল্লিশোর্ধ্ব ২৫ জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ৫৪ জন এবং ষাটোর্ধ্ব ৮০ জন, সত্তরোর্ধ্ব ৪১ জন, আশি উর্ধ্ব ১১ জন, নব্বই ঊর্ধ্ব চারজন।

আর বিভাগওয়ারী হিসাবে ঢাকা বিভাগে ৭৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৬৫ জন, রাজশাহী বিভাগে ২১ জন, খুলনা বিভাগে ৩২ জন, বরিশাল বিভাগে আটজন, সিলেট বিভাগে ১২ জন, রংপুর বিভাগে ১২ জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে ১২ জন।

করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ১৯ কোটি ৯৭ লাখেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৪২ লাখ ৫২ হাজারের বেশি মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ১৮ কোটি দুই লাখের বেশি।