চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনায় দেশে মৃত্যু ২৭ হাজার ছাড়াল

দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণের ৫৫৬তম দিনে ৩৫ জনের মৃত্যুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার সাতজন। গতকাল মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৪১।

সর্বশেষ গত ৭ জুন এর চেয়ে কম ৩০ জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গত ৫ আগস্ট দেশে সর্বোচ্চ ২৬৪ জন রোগী মারা যায়। গত ২৮ জুলাই সর্বোচ্চ শনাক্ত হয় ১৬ হাজার ২৩০ জন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. নাসিমা সুলতানার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় (অ্যান্টিজেন টেস্টসহ) ৩১ হাজার ৭২৪টি পরীক্ষায় দুই হাজার ৭৪ জন এই ভাইরাসে শনাক্ত হয়েছেন। এই সময়ে পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ছয় দশমিক ৫৪ শতাংশ।

তবে শুরু থেকে মোট পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

সরকারি ব্যবস্থাপনায় এখন পর্যন্ত ৬৮ লাখ ৭৪ হাজার ২৯২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ২৪ লাখ ২৯ হাজার ৫৫৩টি নমুনা। অর্থাৎ, মোট পরীক্ষা করা হয়েছে ৯৩ লাখ তিন হাজার ৮৪৫টি নমুনা। এর মধ্যে শনাক্ত হয়েছেন ১৫ লাখ ৩৪ হাজার ৪৪০ জন। তাদের মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় তিন হাজার ৭৩৫ জনসহ মোট ১৪ লাখ ৮৬ হাজার ৬৬৮ জন সুস্থ হয়েছেন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৬ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

গত ২৪ ঘণ্টায় যে ৩৫ জন মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের মধ্যে ২২ জন পুরুষ ও ২৯ জন নারী। তাদের মধ্যে সবারই হাসপাতালে (সরকারিতে ৩৩ জন, বেসরকারিতে দু’জন) মৃত্যু হয়েছে। তারাসহ মৃতের মোট সংখ্যা ২৭ হাজার সাতজন। মোট শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৭৬ শতাংশ।

এখন পর্যন্ত সরকারি হাসপাতালে মারা গিয়েছেন ২২ হাজার ৯৭৩ জন, যার শতকরা হার ৮৫ দশমিক ০৬ শতাংশ। বেসরকারি হাসপাতালে মারা গিয়েছেন তিন হাজার ২৩২ জন, যার শতকরা হার ১১ দশমিক ৯৭ শতাংশ। বাসায় ৭৬৮ জন মারা গিয়েছেন, যার শতকরা হার দুই দশমিক ৮৪। এছাড়াও মৃত অবস্থায় হাসপাতালে এসেছেন ৩৪ জন, যার শতকরা হার দশমিক ১৩ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত ১৭ হাজার ৪০৪ জন পুরুষ মারা গেছেন যা মোট মৃত্যুর ৬৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ এবং নয় হাজার ৬০৩ জন নারী মৃত্যুবরণ করেছেন যা মোট মৃত্যুর ৩৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ৩৫ জনের মধ্যে ত্রিশোর্ধ্ব দু’জন, চল্লিশোর্ধ্ব চারজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব নয়জন, ষাটোর্ধ্ব ১২ জন, সত্তরোর্ধ্ব ছয়জন ও আশি ঊর্ধ্ব দু’জন।

আর বিভাগওয়ারী হিসাবে ঢাকা বিভাগে ১৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে আটজন, রাজশাহী বিভাগে চারজন, খুলনা বিভাগে চারজন, বরিশাল বিভাগে দু’জন ও সিলেট বিভাগে দু’জন।

করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২২২টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ২২ কোটি ৬২ লাখেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৪৬ লাখ ৫৫ হাজার মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন সাত কোটি ২৮ লাখের বেশি।