চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনায় আরও ৩০ জনের মৃত্যু

নতুন শনাক্ত ১ হাজার ৯৭০

দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণের ৪৫৭তম দিনে শেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৩০ জনের মৃত্যুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৮৬৯ জনে।

করোনায় গত মাসের ১৯ তারিখ সর্বোচ্চ ১১২ জনের মৃত্যু হয়। গতকাল ৩৮ জনের মৃত্যুর খবর দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. নাসিমা সুলতানার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় (অ্যান্টিজেন টেস্টসহ) ১৭ হাজার ১৬৯টি নমুনা পরীক্ষায় এক হাজার ৯৭০ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এই সময়ে পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১১ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

তবে শুরু থেকে মোট পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৪০ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

সরকারী ব্যবস্থাপনায় এখন পর্যন্ত ৪৪ লাখ ২৫ হাজার ৮২৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, বেসরকারী ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ১৬ লাখ ৪১ হাজার ২১৪ টি নমুনা। অর্থাৎ, মোট পরীক্ষা করা হয়েছে ৬০ লাখ ৬৭ হাজার ৪২টি নমুনা। এর মধ্যে শনাক্ত হয়েছেন আট লাখ ১২ হাজার ৯৬০ জন। তাদের মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ৯১৮ জনসহ মোট সাত লাখ ৫৩ হাজার ২৪০ জন সুস্থ হয়েছেন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯২ দশমিক ৬৫ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় যে ৩০ জন মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের মধ্যে ১৯ জন পুরুষ ও ১১ জন নারী। তাদের মধ্যে ২৭ জনের হাসপাতালে (সরকারীতে ১৭ জন, বেসরকারীতে ১০ জন) ও তিন জনের বাড়িতে মৃত্যু হয়েছে। তারাসহ মৃতের মোট সংখ্যা ১২ হাজার ৮৬৯। মোট শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৫৮ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত নয় হাজার ২৭৫ জন পুরুষ মারা গেছেন যা মোট মৃত্যুর ৭২ দশমিক ০৭ শতাংশ এবং তিন হাজার ৫৯৪ জন নারী মৃত্যুবরণ করেছেন যা মোট মৃত্যুর ২৭ দশমিক ৯৩ শতাংশ।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ৩০ জনের মধ্যে ত্রিশোর্ধ্ব তিন জন, চল্লিশোর্ধ্ব তিন জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব দুই জন এবং ষাটোর্ধ্ব ২২ জন রয়েছেন। আর বিভাগওয়ারী হিসাবে ঢাকা বিভাগে সাত জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১১ জন, রাজশাহী বিভাগে দুই জন, খুলনা বিভাগে তিন জন, সিলেট বিভাগে চার জন, রংপুর বিভাগে এক জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে দুই জন।

করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ১৭ কোটি ৪০ লাখেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৩৭ লাখ ৪৪ হাজারের বেশি মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ১৫ কোটি ৭০ লাখের বেশি।