চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনায় আবারো শতাধিক মৃত্যু

দেশে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের ৪০৬তম দিনে নতুন করে ১০১ জনের মৃত্যুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ১৮২ জন। এ নিয়ে টানা দ্বিতীয় দিনে একই সংখ্যক মৃত্যু হলো।

এটি এখনও পর্যন্ত একদিনে করোনায় মৃত্যুর সর্বোচ্চ রেকর্ড। এর আগে গতকাল শুক্রবার ১০১ জনের মৃত্যু হয়।

গত ২৪ ঘণ্টায় তিন হাজার ৪৭৩ জনের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‍শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় (অ্যান্টিজেন টেস্টসহ) ১৬ হাজার ১৮৫টি নমুনা পরীক্ষায় তিন হাজার ৪৭৩ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এই সময়ে পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

তবে শুরু থেকে মোট পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

সরকারী ব্যবস্থাপনায় এখন পর্যন্ত ৩৮ লাখ ৩৪ হাজার ৭১০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, বেসরকারী ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ১৩ লাখ ১৫ হাজার ৯৫৩টি নমুনা। অর্থাৎ মোট পরীক্ষা করা হয়েছে ৫১ লাখ ৫০ হাজার ৬৬৩টি নমুনা।

বিজ্ঞাপন

এর মধ্যে শনাক্ত হয়েছেন সাত লাখ ১৫ হাজার ২৫২ জন। তাদের মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় পাঁচ হাজার ৯০৭ জনসহ মোট ছয় লাখ আট হাজার ৮১৫ জন সুস্থ হয়েছেন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৫ দশমিক ১২ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় যে ১০১ জন মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের মধ্যে জন ৬৯ জন পুরুষ ও ৩২ জন নারী। তাদের মধ্যে ৯৯ জন হাসপাতালে ও দুই জনের বাড়িতে মৃত্যু হয়েছে। তারাসহ মৃতের মোট সংখ্যা ১০ হাজার ২৮৩। মোট শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৪৪ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত সাত হাজার ৬৩৫ জন পুরুষ মারা গেছেন যা মোট মৃত্যুর ৭৪ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং দুই হাজার ৬৪৮ জন নারী মৃত্যুবরণ করেছেন যা মোট মৃত্যুর ২৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ১০১ জনের মধ্যে একুশ থেকে ত্রিশ বয়সী তিন জন, ত্রিশোর্ধ্ব তিন জন, চল্লিশোর্ধ্ব আট জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ২৯ জন এবং ষাটোর্ধ্ব ৫৮ জন রয়েছেন।

আর বিভাগওয়ারী হিসাবে ঢাকা বিভাগে ৬৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৩ জন, রাজশাহী বিভাগে দুই জন, খুলনা বিভাগে তিন জন, বরিশাল বিভাগে এক জন, সিলেট বিভাগে দুই জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে তিন জন।

চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ১৪ কোটি ছয় লাখেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৩০ লাখ ১৪ হাজারের বেশি মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ১১ কোটি ৯৪ লাখের বেশি।

বিজ্ঞাপন