চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনায় আজ আরও ১৫৯ জনের মৃত্যু

কোভিড-১৯ সংক্রমণের ৫৩০তম দিনে দেশে ১৫৯ জনের মৃত্যুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজার ৮৭৮ জন। গত মাসের ৪ তারিখে আজকের চেয়ে কম ১৫৩ জনের মৃত্যু হয়। 

এর আগে ৫ আগস্ট দেশে সর্বোচ্চ ২৬৪ জন রোগী মারা যায়।আজ শনাক্ত হয়েছেন সাত হাজার ২৪৮ জন রোগী। গত ২৮ জুলাই সর্বোচ্চ শনাক্ত হয় ১৬ হাজার ২৩০ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. নাসিমা সুলতানার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় (অ্যান্টিজেন টেস্টসহ) ৩৭ হাজার ২২৬টি নমুনা পরীক্ষায় ছয় হাজার ৫৬৬ জন এই ভাইরাসে শনাক্ত হয়েছেন। এই সময়ে পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৭ দশমিক ৬৪ শতাংশ।

তবে শুরু থেকে মোট পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৯১ শতাংশ।

সরকারী ব্যবস্থাপনায় এখন পর্যন্ত ৬৩ লাখ ৩৭ হাজার ১৬১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, বেসরকারী ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ২২ লাখ ২১ হাজার ৮৯৩টি নমুনা। অর্থাৎ, মোট পরীক্ষা করা হয়েছে ৮৫ লাখ ৫৯ হাজার ৫৪টি নমুনা। এর মধ্যে শনাক্ত হয়েছেন ১৪ লাখ ৪৭ হাজার ২১০ জন। তাদের মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় ১০ হাজার ১৫৩ জনসহ মোট ১৩ লাখ ৩৭ হাজার ১৮১ জন সুস্থ হয়েছেন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯২ দশমিক ৪০ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

গত ২৪ ঘণ্টায় যে ১৫৯ জন মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের মধ্যে ৭৬ জন পুরুষ ও ৮৩ জন নারী। তাদের মধ্যে ১৫৫ জনের হাসপাতালে (সরকারিতে ১২৯ জন, বেসরকারিতে ২৬ জন) ও বাড়িতে চার জনের মৃত্যু হয়েছে। তারাসহ মৃতের মোট সংখ্যা ২৪ হাজার ৮৭৮ জন। মোট শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৭২ শতাংশ।

এখন পর্যন্ত সরকারি হাসপাতালে মারা গিয়েছেন ২১ হাজার ২৫৯ জন, যার শতকরা হার ৮৫ দশমিক ৪৫ শতাংশ। বেসরকারি হাসপাতালে মারা গিয়েছেন দুই হাজার ৮৭২ জন, যার শতকরা হার ১১ দশমিক ৫৪ শতাংশ। বাসায় ৭১৪ জন মারা গিয়েছেন, যার শতকরা হার দুই দশমিক ৮৭। এছাড়াও মৃত অবস্থায় হাসপাতালে এসেছেন ৩৩ জন, যার শতকরা হার দশমিক ১৩ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত ১৬ হাজার ৩১৯ জন পুরুষ মারা গেছেন যা মোট মৃত্যুর ৬৫ দশমিক ৬০ শতাংশ এবং আট হাজার ৫৫৯ জন নারী মৃত্যুবরণ করেছেন যা মোট মৃত্যুর ৩৪ দশমিক ৪০ শতাংশ।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ১৫৯ জনের মধ্যে শূন্য থেকে দশ বয়সী একজন, এগারো থেকে বিশ বয়সী দু’জন, একুশ থেকে ত্রিশ বয়সী তিনজন, ত্রিশোর্ধ্ব ১২ জন, চল্লিশোর্ধ্ব ২০ জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ৩৫ জন, ষাটোর্ধ্ব ৩৯ জন, সত্তরোর্ধ্ব ৩৩ জন ও আশি উর্ধ্ব ১৪ জন।

আর বিভাগওয়ারী হিসাবে ঢাকা বিভাগে ৫০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৮ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৩ জন, খুলনা বিভাগে ১২ জন, বরিশাল বিভাগে ১০ জন, সিলেট বিভাগে ২৩ জন, রংপুর বিভাগে আটজন ও ময়মনসিংহ বিভাগে পাঁচজন।

করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ২১ কোটি দুই লাখেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৪৪ লাখ নয় হাজার মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ১৮ কোটি ৮৩ লাখের বেশি।

বিজ্ঞাপন