চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনার বিরুদ্ধে দুই সুখবর

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক করোনাভাইরাস প্রতিরোধের ক্ষেত্রে দুটি সুখবর দিয়েছেন আজ। যার প্রথমটি, স্কুলপর্যায়ে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুদের ফাইজার ও মডার্নার তৈরি করোনা ভ্যাকসিন ব্যবহারের অনুমতি পাওয়ার খবর। আরেকটি আগামী ডিসেম্বর-জানুয়ারির মধ্যে দেশের ৮ কোটি মানুষকে দুই ডোজ করোনা ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হবে।

আমরা জানি, অনেক দিন থেকেই স্কুলপর্যায়ের  ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের ভ্যাকসিনের আওতায় আনার চেষ্টা করছে সরকার। এরই মধ্যে তার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমতি নিতে পরামর্শ দিয়েছিল করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে গঠিত জাতীয় পরামর্শক কমিটি। সেই অনুমতি মেলার পর এখন শিশুদের ভ্যাকসিন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

আপাতত অপেক্ষা সেই ভ্যাকসিন সংগ্রহের জন্য। যদিও স্বাস্থ্যমন্ত্রী আশাপ্রকাশ করে বলছেন, বিশ্ব ভ্যাকসিন জোট- গ্যাভি শিশুদের জন্য ভ্যাকসিন পাঠাবে বলে আশ্বাস পাওয়া গেছে। তবে এরই মধ্যে দেশে আসা ফাইজারের ৬০ লাখ ভ্যাকসিন শিশুদের দেওয়ার কথা ভাবছে সরকার। ওই ভ্যাকসিন দুই ডোজ করে অন্তত ৩০ লাখ শিক্ষার্থীকে দেওয়া সম্ভব হবে।

বিজ্ঞাপন

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে নিঃসন্দেহে এটা বড় এক অগ্রগতি। কেননা প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি থাকার কারণে শিশুরা আক্রান্ত না হলেও তারা ভাইরাসটির বাহক হয়ে অন্যদের সংক্রমিত করতে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। তাই বড়দের পাশাপাশি শিশুদেরও সুরক্ষিত রাখার ব্যবস্থা নিতে হবে।

ভ্যাকসিন সংগ্রহে নানা প্রতিকূলতার পরও আগামী ডিসেম্বর-জানুয়ারির মধ্যে দেশের ৮ কোটি মানুষকে দুই ডোজ করোনা ভ্যাকসিন দেওয়ার যে লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে সরকার- সেটাও বড় অর্জন বলে আমরা মনে করি। এভাবে জনসংখ্যার বড় একটা অংশকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনা গেলে নিঃসন্দেহে তা করোনাকে নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা রাখবে।

বলা চলে, এখন দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ অনেকটাই কমে এসেছে। আস্তে আস্তে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে আসছে। এভাবেই একদিন সবকিছু আগের মতো রূপ পাবে- এটাই সবার প্রত্যাশা।