চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনার গানেও সাড়া ফেললেন কুদ্দুস বয়াতি

করোনা বিস্তার ঠেকাতে সচেতনতামূলক গানটি শুধু ব্র‌্যাকের পেজ থেকেই দেখা হয়েছে ৫৫ লাখ বারের চেয়ে বেশি…

পুরো বিশ্বের মতো করোনা বিস্তার রোধে স্থবির বাংলাদেশও। মরণব্যাধী এই ভাইরাসের ছোবল থেকে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে সরকারি ও বেসরকারি নানান উদ্যোগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তেমনি সচেতনতার এক গান ‘জাইনা চলেন মাইনা চলেন’।

সময়ের ব্যস্ততম সুরকার সংগীত পরিচালক আহম্মেদ হুমায়ূনের সুর-সংগীতে গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন কুদ্দুস বয়াতি। বরাবরের মতো কুদ্দুস বয়াতির কণ্ঠে এই গানটিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

বিজ্ঞাপন

ব্রাকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং সিনেবাজের ব্যানারে গানটির ভিডিও নির্মাণ করেছেন মাহিন আওলাদ। কুদ্দুস বয়াতির এ গান-ভিডিওটি বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া এবং ভিডিও শেয়ারিং সাইটে প্রকাশ পেয়েছে ২৭ মার্চ। মাত্র তিন দিনে শুধু ব্র্যাক-এর ফেসবুক পেইজ থেকেই গানটি দেখা হয়েছে ৫৫ লাখ বারের বেশি। আর শেয়ার হয়েছে ৬০ হাজারের বেশি।

বিজ্ঞাপন

গানটির মাধ্যমে করোনাভাইরাস প্রতিরোধের বার্তা দিয়েছেন কুদ্দুস বয়াতি। গানটির সফলতায় উচ্ছ্বসিত সংগীত পরিচালক আহম্মেদ হুমায়ূন। তিনি বলেন, সারা বিশ্বেই এখন করোনাভাইরাস আতঙ্ক। এই আতঙ্ক রোধ ও ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এগিয়ে আসছে অনেক প্রতিষ্ঠান ও শিল্পী। এই গানটির মাধ্যমে আমিও সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলাম। খুব ভালো লাগছে গানটি প্রকাশের পর তুমুল সাড়া পড়ায়।

গীতিকার বলেন, হাজার হাজার মানুষ শেয়ার করে প্রশংসা করছেন, এটা নিশ্চয় ভাল লাগার অনুভূতি। কিন্তু তারচেয়ে বেশি ভাল লাগবে, যদি গানটি শুনে অল্প কিছু মানুষও করোনাভাইরাস থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পারেন, একটু সচেতন হতে পারেন।

কুদ্দুস বয়াতিকে নিয়ে গানটি তৈরি করা প্রসঙ্গে এই তরুণ সংগীত পরিচালক আরও বলেন, ‘তার সঙ্গে গান করার অভিজ্ঞতাটাও দারুণ। মানুষ হিসেবে তিনি অসাধারণ। আর শিল্পী হিসেবে তো তাকে মূল্যায়নের সুযোগই আমার নেই। ধন্যবাদ ব্র্যাক এবং সিনেবাজ কোম্পানিকে, আমাকে কাজটি করার সুযোগ দেওয়ার জন্য।’