চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনায় মৃতদের দাফনের ব্যবস্থা করবে আল-রশিদ ফাউন্ডেশন

বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসে বাংলাদেশে দ্রুত বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। সেইসঙ্গে প্রতিদিনই বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত ব্যক্তিদের দাফন কাফনের ব্যবস্থা নিয়ে বিভ্রান্তিকর অবস্থায় পড়তে হচ্ছে স্বজনদের।

বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি মৃতদের দাফনের ব্যবস্থা নিতে এগিয়ে এসেছে হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাবের) সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম এর প্রতিষ্ঠিত আল-রশিদ ফাউন্ডেশন।

বিজ্ঞাপন

করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতের পরিবার, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অথবা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ফোন পেলেই ছুটে যাচ্ছেন ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবীরা।

বিজ্ঞাপন

সাধারণ নাগরিক ছাড়াও প্রবাসী অথবা হজ এজেন্সির অ্যাসোসিয়েশন অব হাবের সদস্যদের বিশেষ সুবিধা থাকবে আল-রশিদ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে।

বিজ্ঞাপন

প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিশ্বের যে কোন দেশ থেকে অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের জন্য ০১৮৪৪৬৬৪৪৫৬ এই হটলাইনে যোগাযোগ করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত এই ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে একটি ফ্রীজিং আম্বুলেন্স ও রোগী পরিবহনের জন্য আরও দুটি অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে সংগঠনের ৩০ সদস্যের একদল প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অভিজ্ঞ আলেম ও স্বেচ্ছাসেবক দল কাজ করে যাচ্ছেন।

ইতিমধ্যে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ঢাকা-কুমিল্লা সহ বিভিন্ন জেলায় এ পর্যন্ত প্রায় ১০ টির মতো মরদেহ দাফন করেছেন।

আল-রশিদ ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান এম শাহাদাত হোসেন তসলিম চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে আক্রান্ত যেকোনো নাগরিকের সেবাই কাজ করবে আর্ত-মানবতার সেবায় নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা আল রশিদ ফাউন্ডেশন এর স্বেচ্ছাসেবীরা।

এম শাহাদাত হোসেন তসলিম আরো বলেন বর্তমান করোনা ভাইরাস এর পরিস্থিতি কেটে গেলে ভবিষ্যতে আল-রশিদ ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে হত দরিদ্রদের চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য ক্লিনিক স্থাপন সহ অন্যান্য সেবা মূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। ফ্রি এম্বুলেন্স সার্ভিস, লাশ পরিবহন চালু থাকবে পাশাপাশি ছিন্নমূল ও পথশিশুদের জন্য একটি কর্মমুখী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।