চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনাভাইরাস: ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২৮ জনের মৃত্যু

শনাক্ত ১৭৬৪ জন

দেশে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের ৮৪তম দিনে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৭৬৪ জনের দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। আর আক্রান্তদের মধ্যে ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসময়ে সুস্থ হয়েছেন ৩৬০ জন।

শনিবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে এসব তথ্য জানান।

বিজ্ঞাপন

ডা. নাসিমা বলেন: গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৪৪৩টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় আগের কিছু মিলিয়ে ৯ হাজার ৯৮৭টি নমুনা। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো দুই লাখ ৯৭ হাজার ৫৪টি। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ১৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন: নতুন নমুনা পরীক্ষায় আরও ১ হাজার ৭৬৪ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৪৪ হাজার ৬০৮ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ২৮ জন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৬১০এ। শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩৭ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ৩৬০ জন। সবমিলিয়ে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯ হাজার ৩৭৫ জন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ২১ দশমিক ০২ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

নতুন করে যারা মারা গেছেন, তাদের ২৫ জন পুরুষ, তিনজন নারী। এদের ১৮ জন ঢাকা বিভাগের, সাতজন চট্টগ্রাম বিভাগের, দুজন রংপুর বিভাগের এবং একজন সিলেটে বিভাগের। বয়সের দিক থেকে ত্রিশোর্ধ্ব চারজন, চল্লিশোর্ধ্ব চারজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব নয়জন, ষাটোর্ধ্ব ছয়জন, সত্তরোর্ধ্ব তিনজন এবং ৮১ থেকে ৯০ বছর বয়সী দুজন মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে করোনার বিস্তার রোধে সবাইকে বাড়িতে থাকার এবং স্বাস্থ্য বিভাগের পরামর্শ মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।

চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১৩টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ৬০ লাখ ৬৫ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন তিন লাখ ৬৭ হাজারের বেশি মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ২৬ লাখ ৭১ হাজারের বেশি মানুষ।

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে প্রথমে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরে বিভিন্ন মেয়াদে ছুটি বাড়িয়ে সর্বশেষ ৩০ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার।

ছুটির সময়ে অফিস-আদালত থেকে গণপরিবহন, সব বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তবে কাঁচাবাজার, খাবার, ওষুধের দোকান, হাসপাতাল, জরুরি সেবা এই বন্ধের বাইরে থাকছে। জনগণকে ঘরে রাখার জন্য মোতায়েন রয়েছে সশস্ত্র বাহিনীও।