চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনাভাইরাস: রাজধানীর উদ্দেশে মানুষের উপচে পড়া ভিড়

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার আগেই হাজার হাজার মানুষ প্রবেশ করছে ঢাকায়। পরিবহন সেবা বন্ধ থাকায় অনেকেই হেঁটে আসছেন। স্বল্প আয়ের মানুষরা বলছেন, অফিস যখন খোলা তখন কিবা করার আছে তাদের।

অন্যদিকে মানুষের গাদাগাদি করে আসার দৃশ্য দেখে বুঝার উপায় ছিলো না যে করোনাভাইরাস বিশ্বব্যাপী মানুষকে কতটা ভাবিয়ে তুলেছে।

বিজ্ঞাপন

দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ রওনা হয়েছে মাওয়া, শিমুলিয়া ফেরি ঘাট হয়ে। পরিবহন বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছে ঢাকামুখি মানুষ। আগামীকাল থেকে গার্মেন্টস খোলা থাকায় অনেকটা বাধ্য হয়েই ঢাকায় ফিরছেন এ নিম্ন আয়ের মানুষ।

শনিবার সন্ধ্যায় যদিও বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত পোশাক কারখানা বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের উপচে পড়া ভিড় সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ঘাটে। তাদের অধিকাংশ পোশাক কারখানায় কর্মরত।

বিজ্ঞাপন

ঢাকা ময়মিনসিংহ ও ঢাকা টাঙ্গাইল পথেও দেখা যায় উপচে পড়া ভিড়। কর্মস্থলে ফিরতে হবে কর্তপক্ষের এমন নির্দেশনার পর শুধু পেটের দায়েই তারা বিকল্প পথে রওনা হয়েছে ঢাকার পথে।

সেনাবাহিনী ও পুলিশের নানারকম প্রচারণার পরও কোনোভাবেই বাধা দেয়া যাচ্ছে না।

বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক এক অডিও বার্তায় জানান: কয়েকটি বিষয় স্পষ্ট করা দরকার। আমাদের কারখানা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর যে নির্দেশনা দিয়েছে তাতে স্পষ্ট করে লেখা আছে যেসব রপ্তানিমুখি প্রতিষ্ঠানে আন্তর্জাতিক ক্রয়াদেশ আছে এবং যারা পিপিই বানাচ্ছে তারা শ্রমিকদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সুরক্ষা সুনিশ্চিত করে প্রতিষ্ঠান খোলা রাখতে পারেন। কাজেই ওই সব শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রথম দায়িত্ব হবে শ্রমিকদের স্বাস্থ্যর নিরাপত্তা দেয়া।

তিনি বলেন: মার্চের মাসের বেতন নিয়ে কোনোরকম অনিহা ও অনাগ্রহের কোনো অবকাশ নেই। আমাদের যত কষ্ট হোক শ্রমিকদের মার্চের বেতন নিশ্চিত করতে চাই। এছাড়া ‍সঙ্গত কারণে কোনো শ্রমিক এই সময় উপস্থিত না হলে তার চাকরি যাতে না হারান সেই বিষয়ে মালিকদের প্রতি অনুরোধ করছি।

পরবর্তীতে আরেক অডিও বার্তায় এমন পরিস্থিতিতে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত কারখানা বন্ধ রাখতে অনুরোধ জানান তিনি।