চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সমন্বয় জরুরি

করোনাভাইরাস কতদিন স্থায়ী হবে এ নিয়ে বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ যে তথ্য দিয়েছেন, তা শঙ্কা বাড়িয়েছে। তবে এর একদিন পরই এ বিষয়ে বিপরীত কথা বলেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের বলেছেন: করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে সরকার যখন দিনরাত পরিশ্রম করে মানুষের মনোবল চাঙা রাখার নিরলস প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে, ঠিক তখন স্বাস্থ্যবিভাগের কোনো কোনো কর্মকর্তার করোনার আয়ুষ্কাল নিয়ে অদূরদর্শী ও দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য জনমনে হতাশা তৈরি করেছে।

বিজ্ঞাপন

অবশ্য এরমধ্যেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। তাড়াহুড়োর কারণে এমনটা হয়েছে, বলে ওই ব্যাখ্যায় বলা হয়। করোনাভাইরাস যে সহসা দূর হতে সময় লাগবে তা ইতোমধ্যে আমরা ধারণা করতে পারছি। যদিও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্মকর্তার বক্তব্য অমূলক না, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকেও অনেকটা সেরকমই বলা হয়েছে। তবে নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এমন তাড়াহুড়ো কোনোভাবেই কাম্য নয়।

বিজ্ঞাপন

বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস এর শুরু থেকেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পরিস্থিতি মোকাবেলায় সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এমনকি মহাপরিচালক নিজেও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পরবর্তীতে সুস্থ হয়েছেন। এরপরও শুরু থেকে কিছু সমন্বয়হীনতা লক্ষ্যণীয় ছিল। এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে পরবর্তীতে আরও উদ্যমী হয়ে তারা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সচেষ্ট হবে বলে আমরা আশা করি।

এছাড়া করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জোনভিত্তিক লকডাউনের ক্ষেত্রেও সমন্বয়হীনতা দেখা গেছে। এজন্যও আবার ব্যাখ্যা দিতে হয়েছে। এমনকি জনসাধারণ লকডাউন মানতে অসহযোগিতা করছে বলেও গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা না থাকলে করোনা মোকাবেলা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

করোনাভাইরাস যে ক’দিন স্থায়ী হোক না কেন, যার যার অবস্থান থেকে সচেতন হওয়া এবং নিয়ম মানার বিকল্প নেই। এজন্য মহামারী মোকাবেলায় সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে অবদান রাখতে আমরা আহ্বান জানাচ্ছি।