চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনাভাইরাস: নতুন ১১ হাসপাতালে হবে নমুনা পরীক্ষা

করোনাভাইরাস শনাক্তে আগামী ১০ দিনের মধ্যে আরও ১১টি হাসপাতালে পিসিআর ল্যাব স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)।

বর্তমানে ১৭টি ল্যাবে পিসিআর পদ্ধতিতে করোনাভাইরাস শনাক্তের কাজ চলছে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ‘করোনা শনাক্তের পরীক্ষা আরও প্রসারিত করতে ১১টি প্রতিষ্ঠান ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে কাজ শুরু করবে। এর মধ্যে ঢাকায় ৫টি এবং ঢাকার বাইরে ৬টি ল্যাব প্রস্তুত হচ্ছে।’

বিজ্ঞাপন

‘‘ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ, এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ (দিনাজপুর) ও বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজে পরীক্ষার কাজ শুরু হবে। ঢাকায় স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ, মুগদা মেডিকেল কলেজ, শেখ রাসেল গেস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট, তাছাড়া কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালেও কাজ চলছে। এই ১১টি প্রতিষ্ঠানে পিসিআর পরীক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারিত হবে।’’

করোনাভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হিসেবে আরও ২০৯ জনের কোভিড-১৯ এর উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। ফলে মোট আক্রান্ত হিসেবে শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ১২ জনে। শনাক্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে আরও ৭ জনের। ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬ জনে।

চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১০টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ১৯ লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন প্রায় এক লাখ ১৯ হাজার ৭৮৫ জন। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন সাড়ে ৪ লাখের বেশি মানুষ।

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে প্রথমে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরে এই ছুটি ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। রোববার এ ছুটির মেয়াদ ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে পরে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। দেশবাসীকে নিজ বাড়িতে থাকার আহ্বান জানানো হয়।

ছুটির সময়ে অফিস-আদালত থেকে গণপরিবহন, সব বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কাঁচাবাজার, খাবার, ওষুধের দোকান, হাসপাতাল, জরুরি সেবা এই বন্ধের বাইরে থাকছে। জনগণকে ঘরে রাখার জন্য মোতায়েন রয়েছে সশস্ত্র বাহিনীও।