চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনাভাইরাস: দেশে ২৪ ঘণ্টায় ৫৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩০২৭

দেশে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের ১২২তম দিনে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ২৭ জনের দেহে করোনাভাইরাস এর উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ৫৫ জন মারা গেছেন। এসময়ে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৯৫৩ জন।

মঙ্গলবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে এসব তথ্য জানান।

বিজ্ঞাপন

ডা. নাসিমা বলেন: গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৩ হাজার ৪৯১টি। নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৩ হাজার ১৭৩টি। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ৮ লাখ ৭৩ হাজার ৪৮০টি। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২২ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন: নতুন নমুনা পরীক্ষায় আরও ৩ হাজার ২৭ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্ত হয়েছেন ১ লাখ ৬৮ হাজার ৬৪৫জন। মোট আক্রান্ত শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৩১ শতাংশ। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ৫৫ জন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২ হাজার ১৫১-এ। শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ২১ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন: গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ১ হাজার ৯৫৩ জন। সব মিলে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭৮ হাজার ১০২ জন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৪৬ দশমিক ৩১ শতাংশ।

ডা. নাসিমা বলেন: গত ২৪ ঘণ্টায় যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে ৪৬ জন পুরুষ, ৯ জন নারী। এদের মধ্যে বয়স বিভাজনে ১১-২০ বয়সী ১ জন, ত্রি‌শোর্ধ্ব ২জন, চল্লি‌শোর্ধ্ব ৬জন, পঞ্চা‌শোর্ধ্ব ১৮ জন, ষা‌টোর্ধ্ব ২১জন, স‌ত্তরোর্ধ্ব ৬জন, ৮০ বছরের বেশি বয়সী ১জন। মৃতদের মধ্যে ২৭ জন ঢাকা বিভাগের, ১২ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ২ জন করে রাজশাহী, সিলেট, রংপুর ও বরিশাল বিভাগের, ৭ জন খুলনা বিভাগের এবং ১ জন ময়মনসিংহ বিভাগের। মৃতদের মধ্যে ৩৯ জন মারা গেছেন হাসপাতালে এবং ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বাসায়। মৃত অবস্থায় হাসপাতালে এসেছেন ১ জন।

চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ১৭ লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৫ লাখ ৪১ হাজারের বেশি মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ৬৭ লাখ ৫৩ হাজারের বেশি মানুষ।

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে প্রথমে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরে বিভিন্ন মেয়াদে ছুটি বাড়িয়ে সর্বশেষ ৩০ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। দেশের ইতিহাসের দীর্ঘ এ ছুটির পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৩১ মে থেকে অফিস-আদালত খোলা হয়েছে। এছাড়াও স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে চালু হয়েছে গণপরিবহনও।