চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনাভাইরাস: দেশে ২৪ ঘণ্টায় ২২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৩৮১

দেশে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের ৮৬তম দিনে গত ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৩৮১ জনের দেহে করোনাভাইরাস এর উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ২২ জন মারা গেছেন। এসময়ে সুস্থ হয়েছেন ৮১৬ জন।

রোববার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে এসব তথ্য জানান।

বিজ্ঞাপন

তিনি জানান: এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪৯ হাজার ৫৩৪ জনে। মোট মৃতের সংখ্যা ৬৭২ জন। আর মোট সুস্থ হয়েছেন ১০ হাজার ৫৯৭ জন।

বিজ্ঞাপন

ডা. নাসিমা বলেন: গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২০.৮১ শতাংশ, শনাক্তের ভিত্তিতের সুস্থতার হার ২১.৩৯ শতাংশ আর মৃতের হার ১.৩৬ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারানোদের মধ্যে ১৯ জন নারী ও ৩ জন পুরুষ। মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ১১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ৮ জন, সিলেট বিভাগের ২ জন, বরিশাল বিভাগের ১ জন। ২২ জনের মধ্যে ১৫ জনের হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে, ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে বাড়িতে, একজন হাসপাতালে আনার পথেই মৃত্যুবরণ করেন।

বুলেটিনে জানানো হয়: দেশে মোট ৫২টি ল্যাবে করোনা পরীক্ষা অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৩ হাজার ১০৪টি আর পরীক্ষা করা হয়েছে ১১ হাজার ৪৩৯ টি নমুনা। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ৩ লাখ ২০ হাজার ৩৬৯টি। ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে নেয়া হয়েছে ৪৪৯ জনকে, এসময়ে ছাড় পেয়েছে ২২২ জন। মোট আইসোলেশনে আছেন ৬ হাজার ২১, মোট ছাড় পেয়েছেন ৩২ হাজার ৩৮ জন। দেশে মোট আইসোলেশন শয্যা ১৩,২৮৪টি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে করোনার বিস্তার রোধে সবাইকে বাড়িতে থাকার এবং স্বাস্থ্য বিভাগের পরামর্শ মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়। বলা হয়, মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেবেন। নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করবেন। পানি ও তরল খাবার বেশি খাবেন। যারা সুস্থ হয়েছেন তারা মসলা দিয়ে পানি হালকা গরম করে খেয়ে উপকার পেয়েছেন। মধু, কালিজিরা খেয়েও অনেকে সুস্থ হয়েছে।

চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১৩টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ৬১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৩ লাখ ৭১ হাজারের বেশি মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ২৭ লাখ ৪৪ হাজারের বেশি মানুষ।

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে প্রথমে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরে বিভিন্ন মেয়াদে ছুটি বাড়িয়ে সর্বশেষ ৩০ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। দেশের ইতিহাসের দীর্ঘ এ ছুটির পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৩১ মে থেকে অফিস-আদালত খোলা হয়েছে।