চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনাভাইরাস: দেশে ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত সহস্রাধিক, মৃত ১১

দেশে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের ৬৫তম দিনে এক হাজারেরও বেশি মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৩৪ জনের দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়েছে। এসময়ে মহামারী করোনাভাইরাস আরও ১১ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। আর সুস্থ হয়েছেন ২৫২ জন।

বিজ্ঞাপন

সোমবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে এসব তথ্য জানান।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন: দেশে মোট ৩৭টি ল্যাবে করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। নতুন ১ হাজার ৩৪ জনসহ মোট শনাক্তের সংখ্যা ১৫ হাজার ৬৯১ জন। মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে মোট মৃত্যু সংখ্যা দাঁড়ালো ২৩৯ জনে। আর মোট সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৯০২ জন।

ডা. নাসিমা সুলতানা জানান: আক্রান্ত শনাক্তদের মধ্যে বেশিরভাগেরই অবস্থান ঢাকাতে। আর মৃতদের মধ্যে ৫ জন পুরুষ এবং ৬ জন নারী।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন: করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ হাজার ২৬৭টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ৭ হাজার ২০৮টি নমুনা। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ১ লাখ ২৯ হাজার ৮৬৫টি ।

হেলথ বুলেটিনে জানাননো হয়: গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে নেয়া হয়েছে ১৮৩ জনকে এবং বর্তমানে আইসোলেশনে রয়েছেন ২ হাজার ২৩৬ জন। এসময়ে আইসোলেশন থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৬২ জন এবং এ পর্যন্ত ছাড়া পেয়েছেন মোট ১ হাজার ১৭৬ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে করোনার বিস্তার রোধে সবাইকে বাড়িতে থাকার এবং স্বাস্থ্য বিভাগের পরামর্শ মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।

চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১০টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ৪১ লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন দুই লাখ ৮০ হাজারের বেশি মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন চৌদ্দ লাখের বেশি মানুষ।

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে প্রথমে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরে এ ছুটি ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। পরে এ ছুটির মেয়াদ ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে চতুর্থবারের মতো ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। দেশবাসীকে নিজ বাড়িতে থাকার আহ্বান জানানো হয়। পরে সেটাও বাড়ানো হয় ৫ মে পর্যন্ত। পরে পঞ্চমবারের মতো করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে ১৬ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার।

ছুটির সময়ে অফিস-আদালত থেকে গণপরিবহন, সব বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তবে কাঁচাবাজার, খাবার, ওষুধের দোকান, হাসপাতাল, জরুরি সেবা এই বন্ধের বাইরে থাকছে। জনগণকে ঘরে রাখার জন্য মোতায়েন রয়েছে সশস্ত্র বাহিনীও।