চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনাভাইরাস: দেশে মৃতের সংখ্যা ২ হাজার ছাড়ালো

গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৭৩৮

দেশে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের ১২০তম দিনে মৃতের মোট সংখ্যা ২ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস এ আক্রান্তদের মধ্যে ৫৫ জন মারা গেছেন। এর ফলে এখন মৃতের মোট সংখ্যা ২০৫২।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৭৩৮ জনের দেহে করোনাভাইরাস এর উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। এসময়ে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৯০৪ জন।

বিজ্ঞাপন

রোববার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে এসব তথ্য জানান।

বিজ্ঞাপন

ডা. নাসিমা বলেন: গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৩ হাজার ৯৬৪টি। আগের কিছু সহ নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৩ হাজার ৯৮৮টি। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ৮ লাখ ৪৬ হাজার ৬২টি। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ।

তিনি বলেন: নতুন নমুনা পরীক্ষায় আরও ২ হাজার ৭৩৮ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্ত হয়েছেন ১ লাখ ৬২ হাজার ৪১৭ জন। মোট আক্রান্ত শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ২০ শতাংশ। আর শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ২৬ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন: গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ১ হাজার ৯০৪ জন। সব মিলে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭২ হাজার ৬২৫ জন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৪৪ দশমিক ৭২ শতাংশ।

ডা. নাসিমা বলেন: গত ২৪ ঘণ্টায় যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে ৩৭ জন পুরুষ, ১৮ জন নারী। এদের মধ্যে বয়স বিভাজনে ০-১০ বয়সী ১ জন, ত্রি‌শোর্ধ্ব ৩জন, চল্লি‌শোর্ধ্ব ১৭জন, পঞ্চা‌শোর্ধ্ব ১৩ জন, ষা‌টোর্ধ্ব ৯ জন এবং স‌ত্তরোর্ধ্ব ১২ জন।

মৃতদের মধ্যে বিভাগ বিশ্লেষণে ১৯ জন ঢাকা বিভাগের, ১৩ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ১ জন রাজশাহী বিভাগের, সিলেট বিভাগের ২ জন, খুলনা বিভাগের ৬ জন, রংপুর বিভাগের ৮ জন, বরিশাল বিভাগের ৫ জন এবং ১ জন ময়মনসিংহ বিভাগের। তাদের মধ্যে ৪১ জন মারা গেছেন হাসপাতালে এবং ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বাসায়।

চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ১৩ লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৫ লাখ ৩৩ হাজারের বেশি মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ৬৪ লাখ ৪৫ হাজারের বেশি মানুষ।

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে প্রথমে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরে বিভিন্ন মেয়াদে ছুটি বাড়িয়ে সর্বশেষ ৩০ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। দেশের ইতিহাসের দীর্ঘ এ ছুটির পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৩১ মে থেকে অফিস-আদালত খোলা হয়েছে। এছাড়াও স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে চালু হয়েছে গণপরিবহনও।