চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনাভাইরাস: ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী সময়ে করণীয়

মহামারী করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ যখন পৃথিবীব্যাপী ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে তখন এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা জরুরি। বিশেষ করে ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কারণে এই ভাইরাস প্রতিরোধে বাড়তি কিছু সতর্কতা মেনে চলতে বলা হয়েছে।

বুধবার এক সরকারি তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়, ঘূর্ণিঝড় শেষে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে স্থানীয় পর্যায়ের নির্দেশনা অনুযায়ী আশ্রয়কেন্দ্র বা নিরাপদ স্থান থেকে পরিবারের সবাইকে নিয়ে বাড়িতে ফিরে আসতে হবে।

বিজ্ঞাপন

ঘরে প্রবেশের আগে পরিবারের সবাই সাবান ও পানি দিয়ে ২০ সেকেন্ড ধরে ভালোভাবে হাত ধুয়ে নিতে হবে এবং জুতা বা স্যান্ডেল ঘরের ভেতর না ঢুকিয়ে বাইরে রাখতে হবে।

বিজ্ঞাপন

এরপর আশ্রয়কেন্দ্র বা নিরাপদ স্থান থেকে বাড়িতে ফেরার পর পরিবারের সকল সদস্যের পরিধেয় সব কাপড় অন্ততপক্ষে ৩০ মিনিট ধরে সাবান ও পানি দিয়ে ভিজিয়ে রেখে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলা এবং পরিবারের প্রত্যেকে জীবাণুমুক্ত হতে ভালোভাবে গোসল করতে হবে।

বিজ্ঞাপন

বাড়ির দরজার হাতল, ঘরের মেঝে এবং অন্যান্য সকল আসবাবপত্র এবং আশ্রয়কেন্দ্র বা নিরাপদ স্থানে ব্যবহৃত মোবাইল, টর্চলাইট ও অন্যান্য সকল জিনিসপত্র জীবাণুনাশক দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে।

ঘরে ফেরার পর অথবা পুনর্বাসনের সময় আপনার পরিবারের অসুস্থ, বয়স্ক ব্যক্তি, গর্ভবতী নারী, বিশেষ  চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তি, নারী ও শিশুদের সুরক্ষার বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

ঘূর্ণিঝড়ের পরপরই মৃতব্যক্তির দাফন অথবা সৎকারের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা নিন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষা মেনে ব্যবস্থা নিতে হবে।

ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি এবং আহত বক্তির পরিবারের সদস্যদের মানসিক সহায়তা দিন।

ঘূর্ণিঝড় পরবর্তীকালে অত্যন্ত জরুরি প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে যাওয়ার প্রয়াজন হলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করুন এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন।