চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ
Partex Group

করোনাভাইরাস: আদালতের ছুটি পহেলা বৈশাখ পর্যন্ত বাড়লো

Nagod
Bkash July

করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রেক্ষাপটে দেশের সব আদালতে গত ২৬ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ছুটি আগামী ১৪ এপ্রিল (পহেলা বৈশাখ) পর্যন্ত বেড়েছে।

সরকার ঘোষিত ছুটির সঙ্গে মিল রেখে তৃতীয় দফায় এবার ১২ ও ১৩ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের (হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগ) উভয় বিভাগ ও দেশের সকল অধস্তন আদালতসমূহে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলো। এই ছুটির সাথে যুক্ত থাকছে ১৪ এপ্রিলের পহেলা বৈশাখের ছুটি।

সোমবার সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবর স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়: দেশব্যাপী করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোকাবেলা এবং বিস্তার রোধে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক ঘোষিত ছুটির ধারাবাহিতায় আগামী ১২ ও ১৩ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের (হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগ) উভয় বিভাগ ও দেশের সকল অধস্তন আদালতসমূহে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলো।

এর আগে গত ১ এপ্রিল দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে ৫ থেকে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি বাড়ানো হয়। সেই সাথে যুক্ত থাকে ১০ ও ১১ এপ্রিলের সাপ্তাহিক ছুটি।

আর গত ২৪ মার্চ দেয়া এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ২৯ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের সব আদালতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। ২৬ মার্চসহ ওই ছুটির সাথে যুক্ত থাকে ২৭ ও ২৮ মার্চ এবং ৩ ও ৪ এপ্রিলের সাপ্তাহিক ছুটি।

অন্যদিকে গত ২২ মার্চ প্রধান বিচারপতির আদেশক্রমে করোনাভাইরাসের কারণে দেশের অধস্তন (নিম্ন) আদালতসমূহে জামিন, অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও জরুরি বিষয় ব্যতিত অন্যান্য বিষয় যৌক্তিক সময়ের জন্য মুলতবির নির্দেশ দেয়া হয়। এছাড়া কারাবন্দি আসামিদের জামিন শুনানির জন্য কারাগার হতে প্রিজন ভ্যান বা অন্য কোনোভাবে আদালতে হাজির না করতে গত ১৯ মার্চ নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

এছাড়া করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রেক্ষাপটে জামিন বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ বর্ধিতকরণ এবং বিশেষ আইনের অধীনে আপিল দায়ের প্রসঙ্গে গত ৪ এপ্রিল এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নির্দেশনা জারি করে সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসন। যেখানে বলা হয়, ‘উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সংকটময় সময় বিবেচনা করত: ইতোমধ্যে যেসকল ফৌজদারি মামলায় আসামিকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত জামিন প্রদান করা হয়েছে বা যে সকল মামলায় উচ্চ আদালত হতে অধস্তন আদালতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আত্মসমর্পণের শর্তে জামিন প্রদান করা হয়েছে বা যে সকল দেওয়ানী মামলায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা/ স্থিতাবস্থার আদেশ প্রদান করা হয়েছে সে সকল মামলার আদেশের কার্যকারিতা আদালত খোলার তারিখ হতে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত বর্ধিত হয়েছে মর্মে গণ্য হবে। আর সকল বিশেষ আইনের আওতাধীন মামলার আদেশ কিংবা রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টসহ সকল আপিল আদালত খোলার তারিখে আপিল দায়ের করতে হবে। এক্ষেত্রে রায়ের সহি মোহর নকল (সার্টিফাইড কপি) না থাকলে ওহা ব্যতীতই আপিল দায়ের করা যাবে। তবে আপিল শুনানির পূর্বে সহি মোহর নকল (সার্টিফাইড কপি) অবশ্যই দাখিল করতে হবে।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ‘দেশের প্রত্যেকটি জেলায় চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ও মেট্রোপলিটন এলাকায় চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জরুরি মামলার জন্য এক বা একাধিক ম্যাজিস্ট্রেট কর্তব্যরত আছেন।’

BSH
Bellow Post-Green View
Bkash Cash Back