চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনাভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স আবিস্কার এনআইবি’র

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) এর জিনোম সিকোয়েন্স (জিন রহস্য) নির্ণয় করলো দেশের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি (এনআইবি)।

মঙ্গলবার সাভারের আশুলিয়ায় অবস্থিত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি (এনআইবি) তে সংবাদ সম্মেলন করে এই ঘোষণা দেন প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক ড. মো. সলিমুল্লাহ।

বিজ্ঞাপন

ড. মো. সলিমুল্লাহ জানান: কোভিড-১৯ মহামারীর কার্যকর মোকাবিলার অংশ হিসাবে দেশে এ সংক্রান্ত গবেষণা, ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয় অত্যন্ত জরুরী। এ প্রয়োজনীয়তাকে সামনে রেখেই এনআইবি করোনা ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয়ে কাজ করছে। এনআইবির উন্মোচিত জিনোম সিকোয়েন্স স্যাঙ্গার (Sanger) পদ্ধতিতে নির্ণয় করা হয়েছে যা গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড পদ্ধতি হিসাবে স্বীকৃত। এ পদ্ধতিতে নির্ণীত জিনোম সিকোয়েন্স প্রায় শতভাগ নির্ভুল।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

মহাপরিচালক বলেন: এখন পর্যন্ত ১ টি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স সম্পন্ন করা হয়েছে এবং আরো ৭ টি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয়ের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে এনআইবি’র সিকোয়েন্সকৃত জিনোম ইউএসএ, স্পেন এবং ইতালি এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এনআইবিতে প্রাপ্ত সিকোয়েন্সে কিছু পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়েছে এবং অধিকতর এনালাইসিসের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।

এছাড়া কম খরচে কোভিড-১৯ রোগ সনাক্তকরণে পিসিআর কিট উদ্ভাবনে এনআইবি’র গবেষকদল কাজ করছেন বলেও জানান তিনি।

ড. মো. সলিমুল্লাহ, মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব), ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি, সাভার

এনআইবির মহাপরিচালক ড. মো. সলিমুল্লাহ এর নেতৃত্বে কেশব চন্দ্র দাস, জনাব মোঃ মনিরুজ্জামান, মো. হাদিসুর রহমান, মোহাম্মদ উজ্জ্বল হোসেন ও মোঃ নজরুল ইসলামের পাশাপাশি ডাঃ রুহুল আমিন এবং ডাঃ আসিফ রাশেদ এর সহযোগিতায় এই জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয়ের কাজটি সম্পন্ন হয়েছে।