চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনাভাইরাস: বিশ্বজুড়ে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা প্রায় ৯০ লাখ

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস এ সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা ও মৃত্যু প্রতিদিনই বাড়ছে। এর মধ্যে মৃত্যুর হার একটু কমতির দিকে মনে হলেও সংক্রমণের হার কোনোভাবেই কমছে না। বরং, দিনে দিনে তা বাড়তির দিকে। এরই মধ্যে বিশ্বজুড়ে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা প্রায় ৯০ লাখ এবং মৃত্যুর সংখ্যা সাড়ে ৪ লাখ ছাড়িয়েছে।

চীনের উহানে গত ৩১ ডিসেম্বর মানুষের অজ্ঞাত কারণে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি শনাক্ত করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সেই হিসাবে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ছড়ানোর ১৭৩তম দিনে বিশ্বজুড়ে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা প্রায় ৯০ লাখ।

বিজ্ঞাপন

ওয়ার্ল্ডোমিটার ওয়েবসাইটের তথ্যমতে, শনিবার রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত রোগীর সংখ্যা ৮৯ লাখ ১৪ হাজার ৮১৫ ছাড়ায়। সংক্রমণ ছড়িয়েছে বিশ্বের ২১৩টি দেশ ও অঞ্চলে। ওই সময় পর্যন্ত এই মহামারিতে মৃত্যু ৪ লাখ ৬৬ হাজার ছাড়িয়েছে। সুস্থ হয়ে উঠেছেন প্রায় ৪৭ লাখ ৩৮ হাজার রোগী।

বিজ্ঞাপন

করোনা মহামারির বিস্তারের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার শনাক্তের তারিখের ৬৭ দিনের মাথায়, গত ৬ মার্চ বিশ্বজুড়ে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ছাড়ায়। এর ২০ দিনের মাথায় রোগীর সংখ্যা ৫ লাখ ছাড়িয়ে যায়। তার আট দিন পর, গত ২ এপ্রিল সংক্রমিত রোগী ১০ লাখ হয়ে যায়। ১৫ এপ্রিল, অর্থাৎ ১৪ দিনের মাথায় রোগীর সংখ্যা ২০ লাখ ছাড়ায়। ২১ এপ্রিল রোগী ২৫ লাখ হয়। তার ঠিক ৩০ দিনের মাথায়, ২০ মে রোগীর সংখ্যা ৫০ লাখ হলো, এর ৩০ দিনের মাথায় তা বেড়ে এখন ৯০ লাখ,যা কয়েদিনের মধ্যে বিশ্বব্যাপী করোনা রোগী ১ কোটির ঘরে গিয়ে পৌঁছবে।

বিশ্বজুড়ে করোনায় দৈনিক মৃত্যু কিছুটা কমবেশি হলেও সংক্রমিত রোগী শনাক্তের হার কমছে না। এটি বিবেচনায় নিয়েই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণে আসার জোরালো আভাস এখনো পাওয়া যাচ্ছে না। দৈনিক সংক্রমিত রোগী শনাক্তের হার বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়,২৪ ঘণ্টায় করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৯২৩ জন।

গত ১০ জানুয়ারি চীনের উহানে ৪১ জনের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি জানিয়েছিল দেশটির সরকার। বিশ্বজুড়ে সংখ্যাটি ১০ লাখে পৌঁছায় ১ এপ্রিল। এরপর প্রতি দুই সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১০ লাখ করে বাড়ছে।

পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেওয়ায় গত ১১ মার্চ করোনা ভাইরাস সংকটকে মহামারী ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।