চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

কণিকার কারণেই বিচ্ছেদ হয়েছে দিয়া মির্জার?

১ আগস্ট বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মধ্য দিয়ে ১১ বছরের বিবাহিত জীবনের ইতি টেনেছেন বলিউড অভিনেত্রী দিয়া মির্জা ও সাহিল সংঘ। তাদের এই বিচ্ছেদের কারণ সম্পর্কে দিয়া কিংবা সাহিল কেউই কিছু উল্লেখ না করলেও বিষয়টি নিয়ে চলছে এখন নানা জল্পনা-কল্পনা।

ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো তাদের সংবাদে প্রকাশ করেছে, দিয়া এবং সাহিলের এই বিচ্ছেদের মূল কারণ লেখিকা কণিকা ধীলন।তিনি ‘রা ওয়ান’, ‘মনমর্জিয়া’ এবং সম্প্রতি মুক্তি প্রাপ্ত ‘জাজমেন্টাল হ্যায় কেয়া’ ছবির কাহিনী লিখেছেন। আর কণিকার সঙ্গে সাহিলের সম্পর্কের কথা জানতে পেরেই নাকি দিয়া বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

তবে সংবাদ মাধ্যমের এমন সংবাদ প্রকাশে বেজায় চটেছেন কণিকা। এ বিষয়ে তিনি টুইট করে জানিয়েছেন যে, ‘হাস্যকর, জঘন্য, কাণ্ডজ্ঞানহীন। কল্পকাহিনী লেখা আমার কাজ। এখন তো দেখি সাংবাদিকেরাও এসব লেখা শুরু করে দিয়েছে। ট্যাবলয়েডগুলো কি আরেকটু দায়িত্বশীল হতে পারে না? একই দিনে দুটো খবর আসার মানে এই না যে এই দুটো খবরের মধ্যে যোগ আছে। আমি জীবনে কোনো দিন দিয়া বা সাহিলকে সামনাসামনি দেখিনি। আমাদের কখনো সাক্ষাৎ হয়নি। দয়া করে এসব বন্ধ করেন। আমাদের কাজ করতে দেন।’

একই বিষয় জানার পর দিয়া মির্জাও মুখ খুলেছেন। বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন যে, ‘আপনাদের সবাইকে এই বিষয় জানানো দরকার যে সাহিল এবং আমার বিচ্ছেদের পিছনে কোনও নারীর হাত নেই। আমার দুজনে ভেবে চিন্তেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটা খুবই দুঃখের ব্যাপার যে আপনারা এই বিষয়ে অন্য কাউকে টার্গেট করছেন।’

সাহিল পেশায় একজন সিনেমা নির্মাতা। দিয়া মির্জার সঙ্গে তিনি একটি প্রোডাকশন কোম্পানি খুলেছেন। যে কোনো পার্টি কিংবা রেড কার্পেটে তাদের সবসময়ে একসঙ্গেই দেখা যেত। স্ক্রিপ্ট পড়ার সময় তাদের পরিচয় হয়। ২০১৪ সালে সাহিল নিউইয়র্কের ব্রুকলিন ব্রিজে হাঁটু গেঁড়ে বসে দিয়া মির্জাকে বিয়ের জন্য প্রস্তাব দেন। দিয়া মির্জা তখনই প্রস্তাব গ্রহণ করে বিয়েতে সম্মতি দেন। ২০১৪ সালেই দিল্লির একটি ফার্ম হাউসে দিয়া ও সাহিলের বিয়ে হয়।