চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

কঠোর স্বাস্থ্যবিধি না ক্রিকেটারদের মানসিক স্বাস্থ্যই ঝুঁকিতে ফেলে দেয়

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে রঙিন পোশাকের ক্রিকেট দিয়ে খেলায় ফিরছে অস্ট্রেলিয়া। সামনে লম্বা এক সফর। সময়টাতে কঠিন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে ক্রিকেটারদের। পরিবার তো দূরের কথা, টিম হোটেলের বাইরেও বেরোনো নিষেধ। এভাবে কড়া নিরাপত্তা বলয় মানতে গিয়ে না আবার ক্রিকেটারদের মানসিক স্বাস্থ্যেরই বারোটা বেজে যায়, সেটি নিয়ে দুশ্চিন্তায় অজি অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ।

তিনটি করে টি-টুয়েন্টি ও ওয়ানডের সিরিজ খেলতে আসছে রোববার ইংল্যান্ডের পথে দেশ ছাড়বে অস্ট্রেলিয়া। পরে ডার্বি কাউন্টিতে ক্যাম্প শেষে সেপ্টেম্বর থেকে শুরু করবে সিরিজ।

বিজ্ঞাপন

সিরিজের পুরো সময় স্টেডিয়ামের পাশে হোটেলে ‘বন্দি’ থাকবেন দুদলের ক্রিকেটাররা। নড়াচড়া বলতে গেলে হোটেল থেকে মাঠ, মাঠ থেকে হোটেল। একটু এদিক-সেদিক হলেই ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে যেতে বাধ্য করা হবে। ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে নিজের বাড়িতে যাওয়ার অপরাধে দ্বিতীয় টেস্টে বাদ দেয়া হয়েছিল পেসার জফরা আর্চারকে।

বিজ্ঞাপন

এভাবে আবদ্ধ থাকতে গিয়ে না ক্রিকেটারদের মানসিক সমস্যায় পড়তে হয়, অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে সেটি নিয়ে দুশ্চিন্তা প্রকাশ করেছেন অজিদের অধিনায়ক ফিঞ্চ, ‘এটা একটা বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিতে পারে। এই সমস্যা গুরুত্বের সঙ্গে নজরদারি করা উচিৎ।’

বিজ্ঞাপন

ফিঞ্চ জানিয়েছেন, সমস্যা কাটিয়ে উঠতে দলের সঙ্গে একজন মনস্তত্ত্ববিদ থাকবেন। যার কাজ হবে ক্রিকেটারদের মানসিক সমস্যাগুলোর দেখভাল করা। ক্রিকেটাররা চাইলে যেকোনো সমস্যার কথা মনস্তত্ত্ববিদের সঙ্গে আদান-প্রদান করতে পারবেন।

ইংল্যান্ড সিরিজ শেষে ফিঞ্চসহ বেশকিছু অজি ক্রিকেটার দেশে না ফিরে উড়াল দেবেন আরব আমিরাতে। সেখানে ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে ১৩তম আইপিএল। সেখানেও থাকবে একই ব্যবস্থা। ক্রিকেটারদের তাই এমন অবস্থার সঙ্গে মানিয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন অজি অধিনায়ক।

‘আগামী কয়েকমাস হয়তো এই কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মাঝেই থাকতে হবে। হয়তো কয়েক সপ্তাহ কিংবা কয়েক মাস হোটেলে থাকতে হবে, যা বেশ কঠিন হতে চলেছে।’

‘এর মাধ্যমেই আমরা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরছি, এরচেয়ে বড় কোনো অনুপ্রেরণা আর হয় না। দিনশেষে যদি আমাদের কাজটা ঠিকমতো করতে না পারি, তাহলে সবাই কিন্তু চাকরি হারাবো।’