চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

কঠোর নজরদারির মধ্যেও স্বাস্থ্যবিধি না মানার প্রবণতা

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ঘোষিত লকডাউনের ষষ্ঠতম দিনে কঠোর নজরদারির মধ্যেও অনেকের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি না মানার প্রবণতা দেখা গেছে। তবে লকডাউন বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা মানুষকে ঘরে রাখতে চেষ্টার ত্রুটি করছেন না।

কাজে না আসলে চাকরি হারানোর ভয়ে গাইবান্ধা থেকে রওয়ানা হয়েছেন নিরঞ্জন। তিনি সাভারের আগেই নেমে যান প্রশাসনের কড়াকড়িতে। সেখান থেকে অটোরিক্সা, রিক্সা ওও পায়ে হেঁটে তার গন্তব্য নারায়ণগঞ্জে চলেছেন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

নিরঞ্জন বললেন, লকডাউন আরও বেড়েছে শুনেছি, কিন্তু অফিস খোলা কিছুই করার নেই। রিক্সা-ভ্যান যাই হোক অফিসে পৌঁছাতে হবে।

এমন চিত্র যেমন রয়েছে, তেমনি লকডাউনের মধ্যে প্রয়োজন ছাড়াও বের হচ্ছেন অনেকে, মানছে না স্বাস্থ্যবিধি, নেই মাস্ক। জীবন-জীবিকার জন্যও ছুটছে মানুষ।

বিজ্ঞাপন

কঠোর লকডাউনের ষষ্ঠদিনে নগরীতে ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ সামাল দিতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়েছে ট্রাফিক পুলিশকে।

শেরে ই বাংলা নগর ট্রাফিক জোনের মিরপুর ও দারুসসালামে দায়িত্বরত সার্জেন্ট সুলতান জানান, ষষ্ঠ দিনে অনেক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বীমা প্রতিষ্ঠান খুলেছে। তাই ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ বেশি। তারপরেও আমরা বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে কাজ করছি।

শহর জুড়ে রয়েছে সেনাবাহিনীর তৎপরতা। টহলের পাশাপাশি মোড়ে মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে কাজ করছে সেনাবাহিনী।

রাজধানীর দারুস সালামে দায়িত্বরত সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন রাসেল জানান, ঘরের বাইরে বের হওয়া মানুষগুলো কেন বের হচ্ছেন এর কারণ যদি যুক্তিগত ও মানবিক হচ্ছে তাদের আমরা সহযোগিতা করছি যেন ভোগান্তিতে না পড়েন। পাশাপাশি যাদের কারণ যৌক্তিক না তাদের আমরা জরিমানার আওতায় আনছি।

করোনা সংক্রমণ কমাতে যে লকডাউন চলছে তা থেকে কার্যকর ফলাফল পেতে সাধারণ মানুষের সচেতনতার ওপর সবচে বেশি জোর দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।