চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

কক্সবাজারের পর্যটন স্পটগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে কাজ করছে প্রশাসন

করোনা সংক্রমণ প্রতিহত করা ও জনস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সরকারের দেয়া ১৮ দফা নির্দেশনা মানুষ যাতে মেনে চলে সেজন্য কাজ করছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন। তবে এখন পর্যন্ত সমুদ্র সৈকত সহ কক্সবাজারের পর্যটন স্পটগুলো বন্ধ করার কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। 

কক্সবাজার জেলা পুলিশ, টুরিস্ট পুলিশ, র‌্যাব আনসারসহ সবাইকে নিয়ে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সমুদ্র সৈকতসহ শহরের বিভিন্ন স্পটে সরকারের দেয়া ১৮ দফা বাস্তবায়নে কাজ করছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার দুপুরে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আমিন আল পারভেজের নেতৃত্বে বিভিন্ন বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত টিম আগত পর্যটক, স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জনস্বার্থে সরকারের নির্দেশনাগুলো মেনে চলার লক্ষ্যে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালায়।

বিজ্ঞাপন

এ সময় টুরিস্ট পুলিশের পুলিশ সুপার মোঃ জিল্লুর রহমান সহ টুরিস্ট পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিল। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে স্বল্প সংখ্যক পর্যটক যাতে সৈকতে আসে সেটি বাস্তবায়নে কাজ করে তারা।

এসময় গণমাধ্যমকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আমিন আল পারভেজ বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী যাতে হোটেল-মোটেল গেস্ট হাউস মালিকরা হোটেলের অর্ধেক খালি রাখে, গণপরিবহনে যাতে অর্ধেক খালি রাখা হয়, পর্যটকরা যাতে দূরত্ব বজায় রেখে কমসংখ্যক সৈকতে নামে, এসব বাস্তবায়নে সকাল থেকে কাজ করে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ৫টি টিম।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বলেন, কক্সবাজারকে বলা হয় দেশের অন্যতম পর্যটন রাজধানী। তাই এখানে স্বাস্থ্যবিধি যাতে মানুষ মেনে চলে সে লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে। তবে সমুদ্র সৈকতসহ পর্যটন স্পটগুলো বন্ধ করে দেওয়ার মতো কোনো সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয়নি। করোনা সংক্রমণ যদি সামনে বৃদ্ধি পায় তখন অবস্থা বিবেচনা করে পর্যটন শিল্পের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্ট সবার সাথে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনে চলাচলকারী জাহাজগুলোর অনুমতি স্বাভাবিক নিয়মে ছিলো ৩১ মার্চ পর্যন্ত। তাই সেগুলো চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

বিজ্ঞাপন