চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

আফিফের ঝড়, ওয়ার্নার-পুরানের ফিফটি

আফিফ করেছেন ২৮ বলে ৪৫ রান

অন্যদের সঙ্গে প্রথম ম্যাচে ব্যর্থ হয়েছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। ভালো স্কোর গড়তে ব্যর্থ হয়েছিল দলও। দ্বিতীয় ম্যাচে বাজে শুরুর পর হালে পানি পেলেন ওয়ার্নার। সঙ্গে পেলেন আফিফ হোসেন ও নিকোলাস পুরানকে। তিন জনের দুই ফিফটিতে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ১৬৮ রানের স্কোর পেয়েছে সিলেট সিক্সার্স।

প্রথম ব্যাট করে চট্টগ্রাম ভাইকিংসকে ১৬৯ রানের টার্গেট দিয়েছে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ১২৭ রান করা সিলেট। মুশফিকের চট্টগ্রামের জন্য লক্ষ্যটা চ্যালেঞ্জিংই।

বিজ্ঞাপন

প্রতিপক্ষের সামনে বড় স্কোর দাঁড় করাতে শুরুটা ভালো হওয়া দরকার ছিল সিলেটের। কিন্তু হয় উল্টো। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই আউট হন লিটন দাস। রবি ফ্রেইলিঙ্কের বলে লিডিং এজ হয়ে ধরা পড়েন ডেলপোর্টের হাত। প্রথম ম্যাচে তিনি করেছিলেন এক রান।

শুরুতেই বিপদ আরও বাড়ে তিন রান পর নাসির হোসেন ফিরে গেলে। ৩ বলে ৩ রান করা নাসির নাঈম হাসানের বলে ক্যাচ দেন মোসাদ্দেকের হাতে। পরে ইনিংসের তৃতীয় আর ফ্রেইলিঙ্কের বলে রানের খাতা খোলার আগেই ফেরেন সাব্বির রহমান। অফস্ট্যাম্পের বাইরের বল ব্যাটে লেগে উইকেট ভেঙে যায়।

বিজ্ঞাপন

দ্রুত তিন ব্যাটসম্যান সাজঘরে ফিরলেও ক্রিজে এসে ব্যাট চালিয়ে খেলেন আফিফ হোসেন। তার তুলনায় অনেক সংযমী ছিলেন দলের অধিনায়ক ও অস্ট্রেলিয়ার মারকুটে ব্যাটসম্যান ডেভিড ওয়ার্নার। আক্রমণ-সংযমের মিশেলে জুটি গড়ে তোলেন দুজনে। ৩১ বলেই অর্ধশত রান তুলে ফেলেন তারা।

ওয়ার্নারকে পাশে পেয়ে দারুণ ছন্দে ব্যাট করছিলেন আফিফ। কিন্তু ২৮ বলে ৪৫ রান করার পর স্কয়ারকাট খেলতে গিয়ে উইকেটকিপার মোহাম্মদ শাহজাদের হাতে ধরা পড়েন। শেষ হয় দুজনের ৭১ রানের জুটি। আফিফের ৪৫ রানের ইনিংসে পাঁচ চারের সঙ্গে তিনটি বিশাল ছক্কার মার।

আফিফ ফেরার পর একটু একটু করে হাত খুলতে থাকেন ওয়ার্নার। তুলে নেন হাফসেঞ্চুরিও। বিপিএল ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথম হাফসেঞ্চুরি তুলতে ৪১ বল খেলেন অজি ওপেনার। পরে ৪৭ বলে ৫৯ রান রানে আউট হন। ফ্রেইলিঙ্কের ফুলটস বল উল্টো ঘুরে ডানহাতির মতো করে শট খেলতে গিয়ে মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ হন। তার সাবধানী ইনিংসে দুটি চার ও এক ছক্কাসহ মাত্র তিনটি বাউন্ডারি।

ওয়ার্নার-আফিফের পর ঝোড়ো ফিফটিতে দলকে লড়াই করার পুঁজি এনে দেন নিকোলাস পুরান। ৩২ বলে সমান তিনটি করে চার ও ছক্কায় ৫২ রানে অপরাজিত থাকেন ক্যারিবীয় অলরাউন্ডার। আর নির্ধারিত ওভারে সিলেটের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ১৬৮।

চট্টগ্রামের হয়ে তিন উইকেট নেন ফ্রেইলিঙ্ক। নাঈম হাসান ও খালেদ আহমেদের ঝুলিতে যায় একটি করে উইকেট।

Bellow Post-Green View