চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ওয়াংখেড়ের পিচের বন্দনায় কোহলি

কানপুর টেস্টে কেবল ১ উইকেট দূরে আটকে গেছে জয়। মুম্বাইতে নিউজিল্যান্ডকে বিধ্বস্তই করেছে ভারত। ঘরের মাঠে শক্তির জায়গাটা দেখিয়েছে আরেকবার। নিজেদের রেকর্ড ব্যবধানে জিতে বেশ উৎফুল্ল বিরাট কোহলি। পুরষ্কার বিতরণীর মঞ্চে ভারত অধিনায়কের চোখে-মুখে দেখা মিলল সেটারই।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের পর কোহলি বলেছেন, ‘জয় নিয়ে ফিরে আসাটা আসলেই দারুণ অনুভূতি। অধিনায়ক হিসেবে বলব এটা দুর্দান্ত পারফরম্যান্স ছিল। অতীতেও এমন আমরা দেখেছি। ম্যাচে কেউ না কেউ দলকে জেতানোর দায়িত্ব নেবে, এটা সবসময়ই প্রত্যাশিত এবং এ ম্যাচে আমরা সেটা করতে পেরেছি।’

চতুর্থ দিনে টেস্ট শেষ হলেও মুম্বাইয়ের পিচের বন্দনা করতে কার্পণ্য করেননি স্বাগতিক দলপতি, ‘প্রথম ম্যাচে আমরা ভালোই খেলেছিলাম। প্রতিপক্ষ ওই ম্যাচে ভালো ব্যাট করে ড্র পায় এবং পঞ্চম দিনের পিচে বোলারদের জন্য প্রত্যাশিত কিছুই ছিল না। এখানকার পিচ একটু সহায়তা করেছে। পিচে পেস ও বাউন্স থাকায় প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে পেরেছি। বলা যায় ওয়াংখেড়ের পিচ সবদিক বিবেচনায় ভালো ক্রিকেট খেলার জন্য অনুকূল ছিল। আমরা প্রতিপক্ষের উপর চাপ তৈরি করতে পেরেছিলাম।’

বিজ্ঞাপন

রবি শাস্ত্রীর বদলে হেড কোচ হিসেবে কিউইদের বিপক্ষে সিরিজেই ভারতের দায়িত্বে বসেছেন রাহুল দ্রাবিড়। তাকে নিয়ে অধিনায়কের ভাষ্য, ‘আগের ম্যানেজমেন্ট দুর্দান্ত কাজ করেছে। এবার রাহুল ভাই এসেছে। যদিও ভারতীয় ক্রিকেটকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মানসিকতা আগের মতোই আছে। আমরা সবাই ভারতের ক্রিকেটে অবদান রাখার জন্য এসেছি।’

ঘরের মাঠে সিরিজ জয়ের পর আত্মতুষ্টিতে ভুগছেন না কোহলি। আসন্ন সাউথ আফ্রিকা সফরে দলের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ দেখছেন। সতীর্থদের সতর্ক করে দিয়েন সেজন্য।

‘আমরা যেন বিদেশের মাটিতেও ভালো করতে পারি, সেটা অস্ট্রেলিয়ায় আমাদের দেখানো শুরু হয়েছিল। তারপর আমরা ইংল্যান্ডে নিজেদের আরও এগিয়ে নিয়েছি। আমরা যে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে জিততে পারি, সেই বিশ্বাস তৈরি হয়েছে। সাউথ আফ্রিকার চ্যালেঞ্জটা নেয়ার জন্যও সবাই প্রস্তুত। এটি কঠিন চ্যালেঞ্জ। যা আমরা জিততে চাই। দলের সবাই উজ্জীবিত আছে।’

বিজ্ঞাপন