চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

এ তুফান ভারী, দিতে হবে পাড়ি!

‘কে আছ জোয়ান হও আগুয়ান হাঁকিছে ভবিষ্যৎ/ এ তুফান ভারী, দিতে হবে পাড়ি, নিতে হবে তরী পার।’- বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘কাণ্ডারি হুঁশিয়ার’-এর সঙ্গে সুর মিলিয়েই যেন করোনার এই দুঃসময়ে তরুণদের প্রতি অন্যরকম এক যুদ্ধ জয়ের আহ্বান জানিয়েছেন দেশের মেধাবী নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা দম্পতি।

পুরো বিশ্বের মতো করোনার কারণে স্থবির বাংলাদেশ ও। মরণব্যাধী এই ভাইরাসের বিস্তার রোধে ঘরে বসেই সময় কাটাচ্ছেন সব শ্রেণি পেশার মানুষ। সবার মতো ঘরেই আছেন ফারুকী-তিশা। কী করছেন তারা?

বিজ্ঞাপন

করোনার এই দুঃসময়ে ফারুকী-তিশার ঘরের খবর জানালো ইউনিসেফ বাংলাদেশ। মূলত জনসাধারণকে সচেতন করতেই এই ভিডিও।

বিজ্ঞাপন

ইউনিসেফ এর অফিশিয়াল ফেসবুকে সম্প্রতি পোস্ট করা ওই ভিডিওতে তরুণদের উদ্দেশে তিশা বলেন, এ দুর্যোগের দিনে তরুণদের দায়িত্ব হচ্ছে ঘরে থাকা, অন্যদের ঘরে থাকতে উৎসাহিত করা। করোনার বিরুদ্ধে আমাদের এ লড়াই অনেক লম্বা সময়ের জন্য হতে যাচ্ছে। একটু ধৈর্য সহকারে সময়টা পার করতে হবে। পরিবারের সবাই মিলে কাজ ভাগাভাগি করে নিতে হবে। বয়জ্যেষ্ঠ ও শিশুদের প্রতি যত্নশীল হতে হবে। প্রার্থনা করতে হবে যাতে আমরা এ ঝড়টা খুব তাড়াতাড়ি পার হয়ে যেতে পারি। নিশ্চয়ই পারবো, পারবো না?

ইউনিসেফ বাংলাদেশের ওই ভিডিওতে তিশার সঙ্গে ঘরের কাজগুলোও ভাগাভাগি করে নিতে দেখা গেছে ফারুকীকে। দিনের পর দিন ঘরে থাকা যে কোনো মানুষের জন্যই কঠিন। কিন্তু এই উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এ ছাড়া কোনো বিকল্পও নেই। তাই তিশা জানালেন, কী করে বাড়িতে থাকার এই সময়টা কাজে লাগানো যায়।

ভিডিওতে তিশা জানান, তার স্বামী ফারুকী ঘরে থাকার সময়টাকে তিন ভাগে ভাগ করেছেন। তার পবর্তী চলচ্চিত্রের পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ, ঘরের কাজ ও বিশ্রাম। এদিকে তিশা তৈরি করছেন ঘরের পুরোনো জিনিসপত্র দিয়ে দারুণ সব শো-পিস, কুশন কাভারসহ নানা জিনিস।

যারা ঘরে বসে বিরক্ত হচ্ছেন, বা করার মতো কিছু পাচ্ছেন না। তাদের উদ্দেশ্যে ছোট ও বড় পর্দার জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী বললেন, দুই দিন আগেও জানতাম না আমি এসব করতে পারি। আপনারাও চাইলে নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করতে পারেন। নতুন কিছু শিখতে পারেন। অনেক আগে বই কিনে রেখেছেন সেগুলো পড়তে পারেন। এইভাবে সময়টাকে উপভোগ্য করে তুলতে পারেন।

প্রায় তিন মিনিটের এই ভিডিওটি পরিচালনার পাশাপাশি চিত্রগ্রহণের কাজটিও করেছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। সহকারি হিসেবে ছিলেন পলাশ নাজিম। ভিডিওটির এডিট ও কালার করেছেন মোমিন বিশ্বাস এবং সংগীতায়োজনে ছিলেন চিরকুট ব্যান্ডের পাভেল অরীন।

ইউনিসেফ এর ভিডিও: