চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

এশিয়া চ্যাম্পিয়ন কাতারকে সমর্থন করে আটক ব্রিটিশ নাগরিক

এশিয়ান কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশে ফিরে গেছে কাতার। কিন্তু কাতারের জার্সি গায়ে দিয়ে তাদের সমর্থনে উচ্ছ্বাস করতে গিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৯ দিন ধরে আটক রয়েছেন এক ব্রিটিশ নাগরিক। যা কার্যত কারাবাসেরই নামান্তর। বিচার এখনো চলছে।

সদ্য শেষ হওয়া এশিয়ান কাপে ঘটেছে মারাত্মক এই ঘটনা। আবুধাবিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে কাতার। এই প্রথমবার। সেখানে দেখা গিয়েছিল কাতারের সমর্থকদের সঙ্গে গ্যালারিতে আনন্দ করছিলেন আলি ইসা আহমেদ। তবে বিপদটা বুঝতেও পারেননি।

বিজ্ঞাপন

আর্সেনাল সমর্থক আলি ইসা ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন আবুধাবিতে। সেখানে গিয়ে কাতারের ম্যাচ দেখতে যান। ইরাকের বিরুদ্ধে ম্যাচের দিন কাতারের জার্সি গায়ে বসেছিলেন গ্যালারিতে। তাতেই বিপদে পড়েন তিনি। বিপদের কথা তিনি লন্ডনে বন্ধু আমের লুকিকে ফোনে জানানোর পরই তা প্রকাশ্যে আসে।

কী হয়েছে আলি ইসার? বন্ধু আমেরের কথায়, ‘আচমকা আমাকে ফোন করে আলি বলে, আমি খারাপ অবস্থায় মধ্যে রয়েছি। আবুধাবির জেলে কাটাতে হচ্ছে। কাতারকে প্রকাশ্যে সমর্থন করার জন্য। মামলা চলছে। জানি না, কী হবে?’

বিজ্ঞাপন

এই খবর পাওয়ার পর সেই বন্ধু সংযুক্ত আরব আমিরাতের লন্ডন দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এখনো সেই দূতাবাস কোনো খবর দিতে পারেনি। লন্ডনে পুলিশের কাছে লিখিতভাবে ঘটনার কথা জানানো হয়েছে। কিন্তু সেই বন্ধু কোথায় রয়েছে, তা কেউই বলতে পারছে না।

কাতারের সঙ্গে আরবের বিভিন্ন দেশের কুটনৈতিক সম্পর্ক অত্যন্ত তলানিতে। মৌলবাদীদের প্ররোচনা দেয়ার অভিযোগে কাতারকে একঘরে করে দিয়েছে আরবের বাকি দেশগুলো। এখানেই শেষ নয়, সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারিয়ে কাতার ফাইনালে উঠেছিল। ফাইনালের আগে কাতারের দুই ফুটবলারের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। আদৌ এই দু’জন কাতারের নাগরিক কিনা, সেই প্রশ্ন তুলে।

ইসা আহমেদের ঘটনা ইংল্যান্ডের প্রথম সারির মিডিয়ায় বেরিয়েছে। এবার ফিফার কাছে তা হাজির হবে। অপরাধ না করলে সাধারণত ফুটবল সমর্থকদের হেনস্থা করা হয় না, বিদেশের খেলার মাঠে। অভিযোগ, সংযুক্ত আরব আমিরাত নিয়মের ঊর্ধ্বে গিয়ে কাজ করেছে।

ইসা আহমেদের সেই বন্ধু বলছেন, ‘ফুটবলের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন জায়গা ঘুরে বেড়ায় ইসা। ফুটবল পাগল। আর্সেনালের একটি খেলাও বাদ দেয় না। ওখানে ফুটবল ম্যাচ দেখতে গিয়েছিল। কোনদিন এরকম ঘটনার মুখে পড়েনি। তাকে লন্ডনে ফিরিয়ে আনার জন্য চেষ্টা করছি।’

Bellow Post-Green View