চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

এমপিদের বিশ্বকাপে পেশাদার ক্রিকেটার!

রানার্সআপ বাংলাদেশ

ইংল্যান্ড থেকে: মেইল করে বারবার জানানো হয়েছে খেলতে পারবেন শুধু সাংসদরাই। নিয়ম-কানুনের ফিরিস্তিও কম দেয়া হয়নি আয়োজকদের পক্ষ থেকে। সংসদীয় দল দেশকে প্রতিনিধিত্ব করবেন ব্যাপারটি গুরুত্ব দিয়ে এমপির পাশাপাশি তিন মন্ত্রীকে নিয়ে ইংল্যান্ডে এসেছে বাংলাদেশ দল।

অথচ টুর্নামেন্ট শুরু হতেই দেখা গেল পাকিস্তান ও আফগানিস্তান দল প্রায় এমপিশূন্য। বাইরের পেশাদার ক্রিকেটারদের খেলাচ্ছে তারা। বাধ্য হয়ে বাংলাদেশও বাইরে থেকে খেলিয়েছে দুই ক্রিকেটারকে। যার একজন এনামুল হক জুনিয়র। যিনি বাংলাদেশের হয়ে টেস্ট ও ওয়ানডে খেলেছেন।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার প্রথম সেমিফাইনাল খেলে পাকিস্তান ও আফগানিস্তান। দুই দলেই বাইরের খেলোয়াড় ছিল বেশি। বাংলাদেশ আপত্তি জানায় সঙ্গে সঙ্গে। এ নিয়ে পাকিস্তান সাংসদদের সঙ্গে কিছুটা বাকবিতণ্ডাও হয়েছে নাইমুর, পলক, রাসেলদের।

প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান আপত্তি তোলেনি, তোমরা আপত্তি কেনো তুলছ। পাকিস্তানের ভাষা ছিল এরকম! বাংলাদেশ বলে গেছে নিয়মের কথা। আয়োজকরা অবশ্য কিছুই যাচাই-বাছাই করেনি। যে যার মতো করে নামে খেলিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বাংলাদেশ ওঠে ফাইনালে। তার আগে প্রথম সেমিতে আফগানিস্তানকে হারায় পাকিস্তান। দলটিতে পেশাদার ক্রিকেটারের আধিক্য থাকায় পেরে ওঠেনি বাংলাদেশ। হারতে হয়েছে ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে।

রানার্সআপ হয়েও অবশ্য খুশি বাংলাদেশ। তবে আয়োজকদের নীরব ভূমিকা এবং পাকিস্তানের পেশাদার ক্রিকেটার টেনে আনায় খুব হতাশ বাংলাদেশ। সীমানাদড়ির পাশে দাঁড়িয়ে দলের অন্যতম সদস্য জাহিদ আহসান রাসেল (যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী) আক্ষেপ নিয়ে বলে যাচ্ছিলেন সে কথা। এতকিছুর পরও আট দলের আসরে রানার্সআপ হওয়াকে বড় প্রাপ্তি হিসেবেই দেখছে বাংলাদেশ।

বিশ্বকাপ ফাইনাল পর্যন্ত বাংলাদেশ খেলেছে ইংল্যান্ডের তিনটি মাঠে। সেমিফাইনাল ও ফাইনাল হয়েছে কেন্ট কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাব মাঠে। বিশাল মাঠের পাশে ডরমেটরি, ক্লাব হাউস, ড্রেসিংরুম, শিশুদের খেলাধুলার জন্য ফাঁকা জায়গা, গাছগাছালিতে ঘেরা। মুগ্ধতা থেকেই বাংলাদেশে এই আদলে মাঠ করা যায় কিনা সে ভাবনা ঢুকেছে বাংলাদেশের জনপ্রতিনিধিদের মাথায়।

দলের আরেক সদস্য জুনাইদ আহমেদ পলক (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী) ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে বলছিলেন, স্টেডিয়াম করে মাঠকে আড়াল না করে এভাবে মাঠ করলেই বরং ভালো!

জাহিদ আহসান রাসেল চ্যানেল আই অনলাইনের মুখোমুখি হয়ে বললেন, এখানে খেলার কারণে অনকে আইডিয়া পেলাম যে, এভাবেও মাঠ হয়! স্টেডিয়াম মানেই চারদিকে গ্যালারি থাকবে ব্যাপারটা নাও হতে পারে। বাইরে ড্রেসিংরুম, গাছগাছালি দিয়ে ঘেরা। এটা আজকে দেখলাম পার্কের মাঝখানে একটা মাঠ। এত ভালো লেগেছে। আমরা অবশ্যই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আইডিয়া শেয়ার করব। জোর দেব। তাহলে অল্প খরচে অনেক মাঠ তৈরি করতে পারব। একটা স্টেডিয়াম করতে ৬০০-৭০০ কোটি টাকা খরচ না করে অনেকগুলো মাঠ করা যায়।

Bellow Post-Green View