চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

এফডিসিতে আমেরিকা প্রবাসী জনা, বললেন ‘আফসোস’ এর কথা!

‘আমার জীবনের একটা আফসোস হচ্ছে এতগুলো সিনেমা করেও ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড পাইনি’

এক সময়ের ব্যস্ত নায়িকা জনা। কাজ করেছেন ৪০টির মতো সিনেমায়। তার উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ডাক্তারবাড়ি, জন্ম, বাজাও বিয়ের বাজনা এবং মন ছুঁয়েঁছে মন। ২০০৭ সালে তিনি পাড়ি জমান আমেরিকায়। এরপর রীতিমত হারিয়েই গিয়েছিলেন এই নায়িকা।

কী করছেন, কেমন আছেন- কিছুই জানতেন না ভক্ত অনুরাগীরাও। সেই নায়িকার দেখা পাওয়া গেলো বহুদিন পর। তাও ঢাকাই সিনেমার আঁতুরঘর এফডিসিতে! বুধবার এই নায়িকার সাথে দেখা হলে কথা বলেন চ্যানেল আই অনলাইনের সাথে।

জানালেন, আসন্ন শিল্পী সমিতির নির্বাচন উপলক্ষে দীর্ঘদিন পর এফডিসিতে এসেছেন তিনি। কথা প্রসঙ্গে জানান, তিনি এখন আমেরিকার নাগরিক। ২০০৭ সাল থেকে সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। তার স্বামী সন্তান আছে।

বিজ্ঞাপন

দীর্ঘদিন পর এফডিসি এসে আবেগতাড়িতভাবে জনা বলেন, ২০০৩ সালের পর থেকে মান্না, শাকিব খান, রুবেল সবার সাথে সমানতালে কাজ করি। ২০০৭ সালে সিনেমার আপ-ডাউন শুরু হয়। তখন আমেরিকা চলে যাই। সেখানেই বিয়ে করে সংসারী হই।

তিনি বলেন, তখন যেসব সিনেমা করতাম ব্যবসাসফল হতো। ২০০৭ সালে যখন আমেরিকা যাই তখন আমার হাতে ১৩ টি সিনেমা ছিল। কাজগুলো শেষ করে সেখানে থেকে যাই। নতুন করে আর কাজ করা হয়নি।

জনা বলেন, আমার জীবনের একটা আফসোস হচ্ছে এতগুলো সিনেমা করেও ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড পাইনি। আগামীতে ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড পাওয়ার মত যদি কোনো সিনেমায় কাজের সুযোগ পাই তাহলে করবো।

চিত্রনায়ক শাকিল খানের বিপরীতে ‘হৃদয়ের বাঁশি’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে পা রাখেন জনা। পরবর্তীতে শাকিল খানের সাথে বিয়েও হয় তার। যদিও সেই বিয়ে বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি জুবায়ের হোসেনকে বিয়ে করেন।

বিজ্ঞাপন