চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘এদেশের মানুষ ইতিহাসের প্রতি দায়বদ্ধ থেকেছে সব সময়’

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে মুনতাসীর মামুনের সঙ্গে আলাপচারিতা

মুক্তিযুদ্ধ দিয়ে তিনি অসাধারণ, অনবদ্য, মূল্যবান গ্রন্থ রচনা করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, পাকিস্তানি জেনারেলদের মন, মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১, মুক্তিযুদ্ধের ছিন্ন দলিলপত্র, রাজাকার সমগ্র, ইয়াহিয়া খান ও মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৭১ চুকনগরে গণহত্যা, একাত্তরের বিজয়গাথা, পরাজিত পাকিস্তানি জেনারেলদের দৃষ্টিতে মুক্তিযুদ্ধ, পাকিস্তানিদের দৃষ্টিতে ১৯৭১, বাংলাদেশ চর্চা, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, বলে যেতে হবে মুক্তিযুদ্ধের গাঁথা, মুক্তিযুদ্ধ কোষ, [১২ খণ্ড] যেসব হত্যার বিচার হয়নি, রাজাকারের মন, সেইসব পাকিস্তানি মুক্তিযুদ্ধ সমগ্র [২ খণ্ড], বঙ্গবন্ধু কীভাবে স্বাধীনতা এনেছিলেন, ১৩নং সেক্টর, স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের কথা, কিশোর মুক্তিযুদ্ধ কোষ, শান্তি কমিটি ১৯৭১, বীরাঙ্গনা ১৯৭১, যে দেশের রাজাকার বড়, আলবদর ১৯৭১, গণমাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ [ ২২ খণ্ড, সম্পাদনা], ১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন নির্ঘণ্ট গ্রন্থমালা [২১ খণ্ড; সম্পাদনা]।

ইতিহাসবিদ অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তার উপলব্ধির কথা বলেছেন। ইতিহাসের নিরিখে তিনি তার লেখায় মুক্তিযুদ্ধকে দিয়েছেন অনন্য এক উচ্চতা।

মাহবুব রেজা: গত চার দশক ধরে উনিশ শতকের পূর্ববঙ্গ, ঢাকা বিষয়ক গবেষণা, চিত্রকলা, সমালোচনা, গল্প-উপন্যাস, অনুবাদ, প্রবন্ধ-নিবন্ধ সংবাদ ভাষ্যকার সর্বোপরি অধ্যাপনা এসব নিয়ে তো আপনার প্রচণ্ড ব্যস্ততা। মুক্তিযুদ্ধ নিয়েও আপনার লেখা আছে। কিন্তু আমরা দেখছি গত দু’দশক ধরে আপনাকে দেখা যাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আপনি একাগ্রভাবে, নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন।

মুনতাসীর মামুন: বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার গবেষণার বিষয় ছিল উনিশ, বিশ ও একুশ শতকের পূর্ববঙ্গ বা বাংলাদেশ ও ঢাকা শহর। সে সময়ের পূর্ববঙ্গের সামাজিক সাংস্কৃতিক ইতিহাস রচনা ও গবেষণা করতে গিয়ে আমি বেশ রোমাঞ্চিত হই। পূর্ববঙ্গের গবেষণা করতে গিয়ে বিশেষ করে ঢাকাকে নতুন করে আবিষ্কার করতে হয় আমাকে। আমার জন্ম পুরান ঢাকার ইসলামপুরের আশেক লেনে। জন্ম থেকেই এই শহরের প্রতি আমার এক ধরনের ভালোবাসা রয়ে গেছে। এখন অবশ্য তা হ্রাস পাচ্ছে। কারণ সবাই মিলে এখন ঢাকাকে পৃথিবীর দ্বিতীয় নিকৃষ্টতম শহর করে ফেলেছে। তবুও বলতে হয়, প্রথম প্রেমের রেশ তো সবসময় থেকেই যায়।

পূর্ববঙ্গের সামাজিক-সাংস্কৃতিক ইতিহাস গবেষণার সময় আমার প্রাসঙ্গিক বিষয় ছিল ঢাকা। পাশাপাশি দেশের সিভিল সমাজ, বৈদেশিক সম্পর্ক, আমলাতন্ত্র সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি নিয়েও কাজ করতে হয়েছে। এসব কাজ করতে। আমি সবসময় মনে করেছি মানুষের সামনে অনালোকিত সত্য ও তথ্যকে নতুন করে তুলে ধরতে। নতুন প্রজন্মের সামনে যদি প্রকৃত সত্য ইতিহাস ও ঘটনা না থাকে তাহলে জাতি হিসেবে আমাদের স্বপ্ন, আকাঙ্ক্ষা অপূর্ণ রয়ে যাবে। আর সত্য ও তথ্যনিষ্ঠ ইতিহাস না থাকলে জাতির এগিয়ে যাওয়ার পথও মসৃণ হয় না।

মাহবুব রেজা: সত্য ও তথ্যনিষ্ঠ ইতিহাস বলতে আপনি কী বোঝাচ্ছেন?

মুনতাসীর মামুন: আমরা যারা মুক্তবুদ্ধির চর্চা করি, স্বাধীনতার কথা বলি, সত্য তুলে ধরার চেষ্টা করি, ইতিহাসের কথা বলি তারা নানাভাবে ঝামেলার মুখোমুখি হতে শুরু করলাম। সে সময় সামরিক ফরমান থেকে উদ্ভূত জাতীয়তাবাদী ভাবধারা উজ্জীবিত এক শ্রেণির করিৎকর্মাদের লম্ফঝম্ফ ছিল চোখে পড়ার মতো। কারণ তারা শাসকদের মর্জিমতো দেশকে পেছনের দিকে অর্থাৎ অন্ধকারের দিকে নিয়ে যেতে ছিল বদ্ধপরিকর। এসব অবাঞ্ছিত, অতি উৎসাহীদের, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে আমাদের অগ্রসর হতে হয়েছিল। সাহস করে সত্যকথা উচ্চারণ করা সে সময় বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল।

সামরিক শাসক জিয়ার পর এরশাদ ক্ষমতায় এলেন। দেশের ওপর চলল স্টিম রোলার। প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতির ডালপালা ছড়িয়ে পড়ে। নব্বইয়ের গণআন্দোলনে মানুষ সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে স্বৈরচারের বিরুদ্ধে সর্বোপরি গণতন্ত্রের পক্ষে নিজেদের অবস্থানকে সুদৃঢ় করেছে। এসবের মধ্য দিয়ে মানুষ কিন্তু যাবতীয় অন্যায়ের বিরুদ্ধে সত্য ও তথ্যনিষ্ঠতার দিকে তাদের অবস্থানের ভিতকে জোরালো করেছে।

বিজ্ঞাপন

আমি একটা বিষয় সবসময় পর্যবেক্ষণ করেছি। তাহলো, আমাদের দেশের মানুষ ইতিহাসের প্রতি দায়বদ্ধ থেকেছে। ইতিহাসের ধারাবাহিকতা রক্ষায় বাঙালি কখনই পিছপা হয় না। পরিবর্তিত পরিস্থিতি হয়তো মাঝে মধ্যে এ দেশের মানুষকে সাময়িকভাবে স্তব্ধ করে দেয় কিন্তু অন্তিমে মানুষ জেগে ওঠে। জুলুম-নির্যাতন চাপিয়ে দেয়া অসত্য তথ্য মানুষের স্বাভাবিক গতিময়তাকে আটকে রাখতে পারে না। জিয়ার দুঃশাসন, এরশাদের স্বৈরাচারী শাসন মানুষকে একাত্ম করে তুলেছিল। নব্বই পরবর্তী সময়ে গণতন্ত্রের যে অগ্রযাত্রা হওয়ার কথা ছিল তা মুখ থুবড়ে পড়েছিল মূলত বিএনপির কারণে। একানব্বইয়ে বিএনপি ক্ষমতাসীন হয়ে দেশকে আবার নতুন করে পাকিস্তানের দিকে নিয়ে যেতে শুরু করে। সে সময় গোলাম আযমকে জামাতায়াতের আমীর হিসেবে ঘোষণা দেয়া হলে দেশের মানুষ এর বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ফুঁসে ওঠে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল মানুষ।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে বাংলার মানুষ আবার ঐক্যবদ্ধ হলো। এ সময় শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে ঘাতক দালাল নির্মূল সমন্বয় কমিটি গঠিত হলে বিএনপি তা প্রতিরোধে সক্রিয় অবস্থান নেয়। গণআদালত গঠন করে গোলাম আযমসহ অন্যান্যদের ফাঁসির রায় দেয়া হলে দেশের ২৪ বিশিষ্ট নাগরিকের বিরুদ্ধে বিএনপি রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা করে। পরবর্তীতে গোলাম আযম নাগরিকত্ব ফিরে পান- ওই ঘটনা বিএনপি খুব কৌশলের সঙ্গে সম্পন্ন করে দেশের রাজনীতিকে আরও জটিল করে ফেলল।

আমরা যারা সোচ্চার ছিলাম তারা নির্মূল কমিটির কর্মকাণ্ডকে সারাদেশে ছড়িয়ে দিয়েছি। যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত হয়েছে। দেশের মানুষ বিলম্বে হলেও আওয়ামী লীগের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। দেশের মানুষ সত্যটাকে বিচার করতে চায়। বিগত দিনে এদেশে সামরিক শাসক, অনির্বাচিত সরকারগুলো ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল তথা স্বাধীনতা বিরোধীদের এমনভাবে লালন-পালন ও ভরণ-পোষণ করে (এটাকে জামাই-আদরও বলতে পারেন) বড় করে তুলেছিল যে তারা এক সময় বিশ্বাস করতে শুরু করল যে, এদেশে কোনোদিনও স্বাধীনতাবিরোধীদের বিচার করা সম্ভব নয়। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে তা বাস্তবে প্রমাণিত করল।

মাহবুব রেজা: বলা হয়ে থাকে, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আপনার মতো এত বিশাল আয়তনে আর কেউ লেখালেখি করেনি- তো মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এই বিশাল পরিমাণ লেখা কী কারণে লিখলেন?

মুনতাসীর মামুন: আমি জীবনে কখনো আদর্শের সঙ্গে সমঝোতা করিনি। আমি যখন সাংবাদিকতার পেশা ছেড়ে চুয়াত্তরে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করি তখন বেশ টেনশনের মধ্যে ছিলাম। গবেষণা করার মধ্য দিয়ে নিজের যোগ্যতা প্রমাণের চেষ্টা করবো- এমন প্রতিজ্ঞা নিয়ে এ কাজে ব্রত হলাম। পূর্ব বাংলা নিয়ে কাজ করতে করতে সামনে চলে এলো নানা বিষয়। বাম রাজনীতি করার কল্যাণে নীতি-আদর্শ নিয়ে কাজ করার অভিপ্রায় তো ছিলই। আমি যখন শিক্ষক হিসেবে যোগদান করি তখন কিছু বৈরী পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছিল আমাকে। বেশ মুষড়ে পড়েছিলাম। সে সময় অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক আমাকে একটা কথা বলেছিলেন যা সবসময় আমি মেনে চলি- তা হলো তুমি যদি অধ্যবসায় আর পরিশ্রম করে যাও তাহলে দেখবা তুমি একদিন না একদিন সাকসেসফুল হইবাই হইবা। স্যারের সেই কথাটা আমি সবসময় মেনে চলি। আমি বিশ্বাস করি আমি যদি আদর্শ, নীতি ঠিক রেখে কাজ করে যাই তাহলে কোনো সমস্যাই সমস্যা হিসেবে আমার সামনে ঝামেলা সৃষ্টি করতে পারবে না। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আমি আমার বিশ্বাস থেকে, আদর্শ থেকে কাজ করে গিয়েছি- সত্য ঘটনা, অজানা কাহিনী, অনালোকিত অধ্যায়, সত্য তথ্য সেই সাধারণ মানুষের সামনে পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করেছি।

একাত্তরের ঘাতক দালালরা কে কোথায় এই বইটি বের হওয়ার পর থেকে সাধারণ মানুষ বেশ সজাগ হয়ে ওঠেন। সোচ্চার হয়ে ওঠেন। মূলত এই বইটি স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে সাধারণ মানুষের স্তিমিত হয়ে যাওয়া আগ্রহ, কৌতূহল আর তৃষ্ণাকে শতগুণে বাড়িয়ে দেয়। এ বইটি বের হওয়ার পর থেকে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা বিষয়টি মানুষকে এর প্রতি উসকে দেয়। এ বই প্রকাশের কৃতিত্ব শাহরিয়ার কবিরের। তারই ধারাবাহিকতায় বের হতে থাকে এ সংক্রান্ত নানা ধরনের গবেষণা, ইতিহাস, পর্যালোচনা। আমি যখন সাংবাদিকতা শুরু করি তখন সাহিত্য, সংস্কৃতি, চিত্রকলা, ভ্রমণ, সমালোচনার পাশাপাশি আমার পছন্দের বিষয় ছিল অজানা তথ্য আর অনালোচিত অধ্যায়ের উন্মোচন করা। আমি মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতার অজানা তথ্য আর অনালোকিত অধ্যায়ের ডকুমেন্টেশন করার চেষ্টা করেছি। পঁচাত্তর পরবর্তী রাজনৈতিক পটপরিবর্তন, স্বৈরাচারী সরকারের দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে আমি মনে করেছি আমার একমাত্র প্রধান কাজ হবে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার প্রকৃত ঘটনা, সত্যকে আবিষ্কার করা, আমার গবেষণার পাশাপাশি আমি একই পরিমাণ মনোযোগ দিয়েছি এ বিষয়ে। মুক্তিযুদ্ধ শুধু বড়দের বিষয় না বরং তা কোনো কোনো ক্ষেত্রে ছোটদের জন্য আরও বেশি অপরিহার্য বিষয়- এই বিষয়টা মাথায় রেখে আমি যতটা সম্ভব এ নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করেছি। জানি না কতটুকু করতে পেরেছি।

মাহবুব রেজা: মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আপনি যে পরিমাণ কাজ আর গবেষণা করেছেন তা রীতিমতো ঈর্ষার পর্যায়ে চলে গেছে বলে মুক্তিযুদ্ধ-বিষয়ক গবেষক সমালোচকরা অভিমত ব্যক্ত করেছেন।

মুনতাসীর মামুন: না, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আমি আর কী এমন কাজ করেছি! অন্যরা আমার চেয়ে অনেক বেশি কাজ করেছেন। তবে কৃতিত্ব যদি দিতে হয় তাহলে একটি কাজের জন্য তা দেয়া যেতে পারে। তাহলো মুক্তিযুদ্ধকোষ। আমি যখন প্রথম এর পরিকল্পনা করি তখন এ নিয়ে সবাই হাসাহাসি করেছিলেন। কিন্তু আমি আমার ছাত্র ও সহকর্মীদের নিয়ে স্বেচ্ছা পরিশ্রমের ভিত্তিতে প্রথমে পাঁচখণ্ডে কাজটি সমাপ্ত করি। তার বছর পাঁচেক পর ১২ খণ্ডে প্রায় ৮৫০০ পৃষ্ঠায় কাজটি শেষ হয়। ১২ খণ্ড প্রকাশের ব্যাপারে সময় প্রকাশনীর ফরিদ আহমদকে কৃতিত্ব দিতে হয়। ঝুঁকি নিয়ে কাজটি তিনি করেছেন। বাংলাদেশে এ ধরনের কাজ প্রথম যা প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে করার দরকার ছিল। অর্থমন্ত্রী তৎকালীন মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রীকে ৫০০ কপি কেনার অনুরোধ করেছিলেন। সে অনুরোধ রাখা হয়নি। শিক্ষা-সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় অনেককে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে আমরা কোন সহায়তা পাইনি। কিন্তু সেই একই মন্ত্রণালয় এশিয়াটিক সোসাইটিকে এখন কয়েক কোটি টাকা দিয়েছে কয়েক খণ্ডে এ বই বের করার। তাতে আপত্তি নেই। কিন্তু এখানে গবেষণা প্রকাশ করতে যে কতো কাঠখড় পোড়াতে হয় তার উদাহরণ দিলাম। এবং মন্ত্রীরা যে কী ভাবে মুক্তিযুদ্ধকে ভালোবাসেন এটি তার প্রকৃত উদাহরণ।
মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় অনেক চেষ্টার পর ২০০ কপি কিনেছিল। কিন্তু শুনেছি সেখানে এত খাতে টাকা ব্যয় করতে হয়েছিল যে প্রকাশক আর এভাবে বই বিক্রিতে উৎসাহী হননি।

কিশোরদের জন্যও এক খণ্ডে মুক্তিযুদ্ধ কোষ করেছি। বঙ্গবন্ধুকে নিয়েও বঙ্গবন্ধু কোষ করেছি। এগুলি কখনও প্রচারিতও হয়নি। এর জন্য আমাদের সামান্যতম প্রশংসাও কেউ করেনি।

বিজ্ঞাপন