চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

এখন কেবল খেলায় মনোযোগ জোকোভিচের

অস্ট্রেলিয়ান ওপেন-২০২২

সব ঝামেলা মিটে গেছে। এখন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে কোর্টে নামার অপেক্ষায় নোভাক জোকোভিচ। ফিরেছেন অনুশীলনেও। বলেছেন দিতে চান কেবল খেলায় মনোযোগ।

একটা সপ্তাহ টেনিসবিশ্ব তো বটেই, ক্রীড়াবিশ্বও ছিল জোকোভিচ বিতর্কে বুদ হয়ে। টেনিস টেবিলের এক নম্বর তারকা অস্ট্রেলিয়ার পৌঁছে ভিসা জটিলতায় পড়ে যান। আদালতের নির্দেশে সেটি থেকে মুক্তি মেলে। বিশেষ হোটেলে একরকম রুমবন্দি অবস্থা থেকেও মুক্তি মিলেছে। এবার কোর্টের খেলার পালা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে এক পোস্টে সার্বিয়ান তারকা নিশ্চিত করেছেন কোর্টে নামার বিষয়টি। রড লেভার অ্যারেনায় অনুশীলন পর্বে কয়েকজনের সঙ্গে দাঁড়িয়ে থাকার ছবিও পোস্ট করেছেন জোকোভিচ।

লিখেছেন, ‘বিচারক আমার ভিসা বাতিলের সিদ্ধান্ত বদলানোর জন্য সন্তুষ্ট এবং কৃতজ্ঞ। যা কিছু ঘটেছে তা সত্ত্বেও আমি (অস্ট্রেলিয়ায়) থাকতে চাই, অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার চেষ্টা করতে চাই। সেদিকেই এখন মনোযোগী। দারুণ সব ভক্তদের সামনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টগুলোর একটিতে খেলতে আমি উড়ে এসেছি।’

বিজ্ঞাপন

ভিসা বাতিল পরিস্থিতি থেকে জোকোর মুক্তিকে তার জীবনের সবচেয়ে বড় জয় হিসেবে দেখছে পরিবার। ভাই জর্জ জোকোভিচ বেলগ্রেডে সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন তেমন কিছুই।

‘আরেকটি রেকর্ড গড়ার জন্য তিনি সেখানে আছেন। তিনি একজন ক্রীড়াবিদ এবং সর্বকালের বিশ্বের সেরা টেনিস খেলোয়াড়। নোভাক সবসময় পছন্দের স্বাধীনতার পক্ষে, এরবেশি কিছু নয়। ন্যায়বিচারের জয় হওয়ায় জোকোভিচ পরিবার খুশি।’

ভ্যাক্সিন জটিলতায় অস্ট্রেলিয়ান ওপেন কর্তৃপক্ষের খেলতে না দেয়া, তথ্যের ঘাটতিতে দেশটিতে ঢুকে বিমানবন্দরে আটকে পড়া, জোরপূর্বক হোটেল কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো, অজি ও সার্বিয়ান সরকারের বক্তব্য-পাল্টা বক্তব্য, অভিযোগ-আপত্তির ভিড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন জোকোভিচ। ভিসা বাতিল করে তাকে বিশেষ হোটেলে একরকম রুমবন্দিই রাখা হয়েছিল চার রাত।

দেশ ত্যাগে বিলম্ব করায় মেলবোর্ন বিমানবন্দরে আট ঘণ্টা আটকে রাখা হয়েছিল জোকোকে। পরে নেয়া হয় একটি আশ্রয়কেন্দ্রে। এরপর ভিসা বাতিলের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে নামেন। বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়ার আদালতে আপিল করেন। ভ্যাক্সিন নিয়ম-ছাড়ে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে খেলতে আবেদন জানান।

শনিবার প্রকাশিত আদালতের নথি থেকে প্রথমবার জোকোভিচের ভ্যাক্সিন না নেয়ার কারণ সম্পর্কে জানা যায়। সেখানে জোকোর আইনজীবী উল্লেখ করেছেন, ১৬ ডিসেম্বর করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় সময়মতো ভ্যাক্সিন নিতে পারেননি সার্বিয়ান তারকা।

বিজ্ঞাপন