চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

এখনই জো বাইডেনকে অভিনন্দন জানাচ্ছে না চীন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ইলেকটোরাল ভোটে স্পষ্টতই এগিয়ে ডেমোক্র্যাট দলীয় প্রার্থী জো বাইডেন।  বিজয়ী হিসেবে তিনি ও কমলা হ্যারিস ভাষণ দিয়েছেন জনতার সামনে।  অধিকাংশ বিশ্বনেতা অভিনন্দনে সিক্ত করলেও আমেরিকার প্রতিদ্বন্দ্বী ও বারবার ট্রাম্পের বাক্যাঘাতের শিকার হওয়া চীন জো বাইডেনকে এখনই অভিনন্দন জানাতে চাইছে না।

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি এ তথ্য জানিয়েছে

বিজ্ঞাপন

চীন যুক্তি দিয়ে বলছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটের চূড়ান্ত ফলাফল এখনো নির্ধারিত হয়নি।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে  বলেন, আমেরিকায় আইন এবং পদ্ধতি অনুযায়ী নির্বাচনী ফলাফল নির্ধারিত হবে। আমরা সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

বিজ্ঞাপন

এমনকি বিদায়ী প্রেসিডেন্ট তথা রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প যে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ত্রুটি ও কারচুপির অভিযোগে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন, সে কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন।

চীন ছাড়াও জো বাইডেনকে এখনো অভিনন্দন জানায়নি রাশিয়া এবং মেক্সিকোও।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের চার বছরের শাসনামলে চীনের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বৈরি সম্পর্ক তৈরি হয়েছে আমেরিকার। একাধিক বিষয়ে ওয়াশিংটন-বেজিং সংঘাত দৃশ্যমান হয়েছে। মানবাধিকার লংঘন, হংকংয়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে চীনের দমন নীতির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন ট্রাম্প। পাশাপাশি দক্ষিণ চীন সাগর এবং পূর্ব লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় চীনা ফৌজের আগ্রাসী আচরণের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ট্রাম্প সরকার।

বাণিজ্য ক্ষেত্রেও দীর্ঘদিন বিশ্বের দুই বৃহৎ অর্থনীতির শুল্ক-যুদ্ধ চলছে। ট্রাম্প চীনা টেক কোম্পানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থা গ্রহণ করেন। শুধু তাই নয়, করোনাভাইরাস মহামারীর জন্য সরাসরি চীনকে দায়ী করে বক্তব্য রাখেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর জো বাইডেনকে চীনের অধীনস্থ প্রেসিডেন্ট বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

এমনই প্রেক্ষিতে শুরুতেই ট্রাম্পের পরাজয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে জো বাইডেনকে চীন অভিনন্দন জানাতে পারে বলেই ধারণা করা হচ্ছিলো। কিন্তু বাস্তবে তার উল্টালো দেখলো বিশ্ব।