চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

এক সপ্তাহের কঠোর বিধিনিষেধ, প্রয়োজনে বাড়বে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

করোনা সংক্রমণের লাগাম টেনে ধরতে আগামী সোমবার থেকে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের পাশাপাশি প্রয়োজন হলে সেটি আরও বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

এ সময় মাঠে থাকবে পুলিশ ও বিজিবি। সেনাবাহিনীও মাঠে থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন ফরহাদ হোসেন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

আজ শুক্রবার রাতে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী এক সপ্তাহের জন্য আমরা কঠোর বিধিনিষেধ দেব, প্রয়োজন হলে আমরা সেটি আরও বাড়াবো। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে আগামীকাল প্রজ্ঞাপন দেওয়া হবে। আমাদের তথ্য অফিসার সেটি জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, এটি যাতে কঠোরভাবে প্রতিপালন হয়, সেজন্য বেশ কড়াকড়ি থাকবে। পুলিশ এবং বিজিবি মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণে কঠোরভাবে দায়িত্ব পালন করবে। এই এক সপ্তাহের জন্য সেনাবাহিনী মাঠে থাকবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, থাকার সম্ভাবনা আছে।

বিজ্ঞাপন

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মানুষ অপ্রয়োজনে বাইরে আসবে না। তবে বাজেটের যে বিষয়টি আছে, এ সংক্রান্ত যে কার্যক্রমগুলো আছে, এনবিআর এবং ব্যাংক সম্পর্কিত যে বিষয়গুলো আছে, সেগুলো সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে। তাছাড়া সবই বন্ধ থাকবে।

তিনি বলেন, জরুরি পরিষেবা ব্যতীত সবই বন্ধ থাকবে। আমরা কড়া লকডাউন দিতে চাই, বলেন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

এর আগে সন্ধ্যায়, তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য অফিসার সুরথ কুমার সরকার জানান, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে আগামী সোমবার থেকে পরবর্তী সাত দিন সারাদেশে কঠোর লকডাউন জারি থাকবে।

তিনি বলেন, লকডাউনে জরুরি পরিষেবা ছাড়া সব সরকারি-বেসরকারি অফিস, দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধ থাকবে। জরুরি পণ্যবাহী যান ব্যতীত সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজে শুধু যানবাহন চলাচল করতে পারবে।

জরুরি কারণ ছাড়া বাড়ির বাইরে কেউ বের হতে পারবেন না। গণমাধ্যম লকডাউনের আওতা বহির্ভূত থাকবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত আদেশ দিয়ে শনিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলেও জানান তিনি।