চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

এক তৃতীয়াংশ কিশোর অনলাইনে হয়রানির শিকার

বাংলাদেশেও চালানো হয়েছে এই জরিপ

প্রতি তিনজনের মধ্যে একজন কিশোর অনলাইনে হয়রানির শিকার। শুধু তাই নয়, প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন শিক্ষার্থী সাইবার হয়রানি এবং সহিংসতার কারণে স্কুল পালিয়ে থাকে।

বুধবার ইউনিসেফ এবং শিশুদের প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ সম্পর্কিত জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ প্রতিনিধির (এসআরএসজি) মাধ্যমে প্রকাশিত নতুন এক জরিপে এ তথ্য জানানো হয়।

জরিপে বলা হয়, প্রায় ৩০ দেশের ১৩-২৪ বছর বয়সী প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ওই জরিপে অংশগ্রহণ করে। বাংলাদেশ, ভারত, বলিভিয়া, আলবেনিয়া, ব্রাজিল, ফ্রান্স, মালয়েশিয়া, ঘানা, ইউক্রেন, ভিয়েতনামসহ মোট ত্রিশটি দেশে এ জরিপ চালানো হয়।

ওই দেশগুলোর এক তৃতীয়াংশ তরুণ বলছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচাট এবং টুইটারে তারা সবচেয়ে বেশি হয়রানির শিকার হয়ে থাকে।

বিজ্ঞাপন

এসএমএস ও মেসেজের মাধ্যমে অনলাইন হয়রানি ও সহিংসতা কোথায় সবচেয়ে বেশি ঘটে এবং রোধে কারা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে পারে? এমন প্রশ্নের জবাবে তাদের অভিজ্ঞতার আলোকে দেয়া তথ্যে জানা যায়, প্রায় ৩২% তরুণ মনে করে সাইবার হয়রানির জন্য সরকার সবচেয়ে বেশি দায়ী। তাদের মধ্যে ৩১% মনে করে সমাজ এবং ২৯% মনে করে ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান এজন্য দায়ী।

এ বিষয়ে শিশুদের প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ সম্পর্কিত জাতিসংঘের মহাসচিবের বিশেষ প্রতিনিধি নাজাত মজিদ বলেন: তাদের দেয়া মতামতের ভিত্তিতে প্রাপ্ত তথ্যে একটি বিষয় পরিষ্কার যে তারা এই বিষয়গুলোকে সমানভাবে দায়ী করছে। তাই আমাদের প্রত্যককে এক সঙ্গে হয়ে এই দায়িত্ব অংশিদারিত্বের ভিত্তিতে ভাগ করে নিতে হবে।

২০১৮ সালে প্রণীত ইউনিসেফের তরুণদের সহিংসতা রোধে যে ইশতেহার প্রকাশ করে তাতে বলা হয়, স্কুলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চয়তায় সরকার, শিক্ষক, অভিভাবক তাদের প্রত্যাকেই এক সাথে কাজ করতে হবে। যার মধ্যে অনলাইন নিরাপত্তার কথাও বলা হয়।

ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক হেনরিটা ফোরে বলেন: সারা বিশ্বের উচ্চ ও নিম্ন আয়ের দেশগুলোর পক্ষ থেকে বলা হয়, তারা অনলাইনে হয়রানির শিকার হচ্ছে, যার ফলে তাদের শিক্ষার ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তারা এটা বন্ধ করতে চায়।

বিজ্ঞাপন