চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

এক গানে গায়ক পান ২৫ হাজার, নায়ক পান ৩৫ কোটি!

সুশান্ত সিং রাজপুতের আত্মহত্যার পর থেকে বেড়িয়ে আসছে বলিউড মাফিয়াদের নানা গোপন তথ্য। সংগীত জগতের অনিয়ম নিয়ে মুখ খুলেছেন সনু নিগাম।

কয়েকদিন আগে টি-সিরিজ কোম্পানির চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর ভূষণ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন সনু। সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা ভিডিওতে ভূষণ কুমারকে তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, ‘দিওয়ানা’র জন্য তিনি সনুকে অনুরোধ করেছিলেন। তিনি ভূষণ কুমারকে মনে করতে বলেছেন, বাল ঠাকরে, স্মিতা ঠাকরের সঙ্গে দেখা করিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করার। ডন আবু সালেমের হাত থেকে বাঁচানোর জন্যও তিনি সনুর দ্বারস্থ হয়েছিলেন, সেই কথাও মনে করিয়ে দেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

সাত বছর আগের একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে সনু নিগাম ভূষণ কুমার এবং সালমান খানের প্রসঙ্গে কথা বলছেন। রাজিব মাসান্দ শো-এর সেই সাক্ষাৎকারে ভূষণ সম্পর্কে সনু বলছিলেন যে, তিনিই ভূষণ কুমারকে মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে এনেছেন। তিনি পেশাগত এবং ব্যক্তিগত অনেক কাজে তাকে সাহায্য করেছেন। ছোট ভাইয়ের মতো মনে করে ভূষণের অনেক নেতিবাচক অভ্যাস দূর করেছেন। এটাও বলেছেন যে, ভূষণ কুমারের বাবা গুলশান কুমার সুরকার-গায়ক সবাইকে সমান গুরুত্ব দিলেও ভূষণ পুরোই উল্টো।

বিজ্ঞাপন

সালমান খান প্রসঙ্গেও কথা বলেছেন সনু নিগাম। তিনি বলেন সালমান খান দাবি করেছেন, সংগীত শিল্পীদের আসলে রয়ালিটি চাওয়া উচিত নয়। কারণ, গান হিট হয় তারকার জনপ্রিয়তায়। যদি তাই হয়ে থাকে তাহলে তো সেই তারকার সব গানই হিট হওয়ার কথা। কিন্তু কিছু গান হিট হয়, কিছু হয়না। তার অর্থ অবশ্যই গান ভালো হতে হয়, লিরিকস ভালো হতে হয়, গায়ক ভালো হতে হয়, সুর ভালো হতে হয়।

সনু জানান, তিনি নিজেও সালমানের ভক্ত। তিনি সালমানকে শ্রদ্ধাও করেন। তিনি গানে ঠোঁট মিলিয়ে শুটিং এর জন্য পান ৩৫ কোটি রুপি, আর গায়ক পান ২৫ হাজার রুপি। নিজেকে গায়কের সঙ্গে তুলনা না করার জন্য সালমানকে অনুরোধ করেছেন সনু। কারণ সালমান ‘কিং’ লেভেলের মানুষ।

‘সারি কে ফল সে’ গানের উদাহরণ টেনে সালমান বলেন, গানের শিল্পী নাকাশ আজিজ কোনো শো পান না বহুদিন। যদি সময়মত তাকে রয়ালিটি দিয়ে দেয়া হতো, তাহলে তিনি টিকে থাকতে পারতেন।