চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

একদিনে দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন নিলেন ৪ হাজার ১৪১ জন

দেশে করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ শুরুর পর থেকে আজ পর্যন্ত তা গ্রহণ করেছেন ৪২ লাখ ৪৪ হাজার ৯৯৭ জন।

এর মধ্যে পুরুষ ২৭ লাখ ১১ হাজার ৫৬৫ জন এবং নারী ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৪৩২ জন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

আজ শনিবার একদিনে দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন চার হাজার ১৪১ জন। যার মধ্যে পুরুষ দুই হাজার ৬০৩ জন এবং নারী এক হাজার ৫৩৮ জন।

শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সী অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের (এমআইএস) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে জানানো হয়, ঢাকা মহানগরীতে ভ্যাকসিন নিয়েছেন এক হাজার ৭৮২ জন। এরমধ্যে পুরুষ এক হাজার ১৮৮ জন ও নারী ৫৯৪ জন ভ্যাকসিন নেন।

ঢাকা বিভাগে ভ্যাকসিন নিয়েছেন দুই হাজার ৫৪৩ জন। এরমধ্যে পুরুষ এক হাজার ৬৭৪ জন ও নারী ৮৬৯ জন ভ্যাকসিন নেন। এছাড়াও ময়মনসিংহ বিভাগে ২০ জন ভ্যাকসিন নেন; যার মধ্যে পুরুষ দুই ও নারী ১৮ জন।

চট্টগ্রাম বিভাগে এক হাজার ১০৩ জন ভ্যাকসিন নেন; যার মধ্যে পুরুষ ৬৩৭ জন ও নারী ৪৬৬ জন ভ্যাকসিন নেন।

বিজ্ঞাপন

রাজশাহী বিভাগে ১০ জন ভ্যাকসিন নেন; যার মধ্যে পুরুষ পাঁচ জন ও নারী পাঁচ জন।

রংপুর বিভাগে ৯০ জন ভ্যাকসিন নেন; যার মধ্যে পুরুষ ৫৬ জন ও নারী দুই হাজার ৩৪ জন। খুলনা বিভাগে ১৮০ জন ভ্যাকসিন নেন; যার মধ্যে পুরুষ ১০৩ ও নারী ৭৭ জন।

বরিশাল বিভাগে ১৬৬ জন ভ্যাকসিন নেন; যার মধ্যে পুরুষ ১০৭ জন ও নারী ৫৯ জন এবং সিলেট বিভাগে ২৯ জন ভ্যাকসিন নেন; যার মধ্যে পুরুষ ১৯ জন ও নারী ১০ জন।

সারাদেশে ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৫৮ লাখ ১৯ হাজার ৯১২ জন। যার মধ্যে পুরুষ ৩৬ লাখ আট হাজার ৯৭৯ জন ও নারী ২২ লাখ ১০ হাজার ৯৩৩ জন।

রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালসহ দেশের এক হাজার পাঁচটি হাসপাতালে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেয়া হয়। গত ৮ এপ্রিল থেকে ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ শুরু হয়েছে।

গত ২৭ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। সেসময় দুই দিনে মোট ৫৬৭ জনকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।

বাংলাদেশে এই ভ্যাকসিন পরীক্ষামূলক প্রয়োগ না হওয়ায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রটোকল অনুযায়ী তাদের এক সপ্তাহ পর্যবেক্ষণ করা হয়। কারও মধ্যে গুরুতর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা না দেওয়ায় পরিকল্পনা মত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে গণ ভ্যাকসিন দেয়া শুরু হয়।