চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

একদিনে জোড়া হারে টালমাটাল বরিস জনসন

ব্রেক্সিট সংকট

পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউজ অব কমনসে আবারও হেরে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। তাও একদিনেই দু’বার।

বুধবার ব্রেক্সিট পেছাতে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বিল পাস হয়েছে। এর ফলে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে কোনো চুক্তি ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হতে পারছে না যুক্তরাজ্য।

বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে বিদ্রোহী টোরি এমপিসহ বিরোধী দলীয় এমপিরা প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিট প্রস্তাবনা আটকে দেয়ার পর তার সাধারণ নির্বাচনের প্রস্তাবও প্রত্যাখান করেন।

১৫ অক্টোবর এই সাধারণ নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন জনসন। তার বক্তব্য ছিল, নতুন পাস হওয়া বিলটির ফলে তিনি বাধ্য হবেন ইইউর সঙ্গে ব্রেক্সিট কার্যকরের সময় বাড়ানোর বিষয়ে কথা বলতে যদি ৩১ অক্টোবরের মধ্যে কোনো চুক্তি গৃহীত না হয়।

কিন্তু বাস্তবে এই বিলের কারণেই কোনো চুক্তি প্রস্তাবনার সুযোগ রইল না। আর এজন্যই নতুন নির্বাচন দরকার বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিবিসি জানায়, আগাম সাধারণ নির্বাচনের প্রস্তাব পাস করানোর জন্য কমনসে ফিক্সড টার্ম পার্লামেন্টস অ্যাক্ট’র অধীনে দুই-তৃতীয়াংশ এমপির সমর্থন দরকার ছিল জনসনের। কিন্তু নির্বাচন প্রস্তাবের ভোটে মাত্র ২৯৮ ভোট পান তিনি। প্রস্তাবের বিপক্ষে পড়ে ৫৬টি ভোট।

বিজ্ঞাপন

সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে জনসনের ১৩৬টি ভোট কম ছিল। মোট ২৮৮ জন আইনপ্রণেতা ভোট দেয়া থেকে বিরত ছিলেন নির্বাচন প্রস্তাবে।

এর মাধ্যমে পার্লামেন্টে একই দিনে দু’টো পরাজয়ের সম্মুখীন হলেন নয়া প্রধানমন্ত্রী।বরিস জনসন-বেক্সিট-বরিস জনসন

বরিস জনসন বলেন, চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিট ঠেকানোর এই বিল ইইউর সঙ্গে আলোচনার সুযোগ ‘ধ্বংস করে দিয়েছে’। এখন এগিয়ে যাওয়ার একমাত্র উপায় হলো নির্বাচন।

কিন্তু এর বিরোধিতা করেন বিরোধী লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন। তিনি অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী চুক্তি ছাড়াই ব্রেক্সিট চাপিয়ে দেয়ার জন্য ‘ছলচাতুরির খেলা’ খেলছেন।

শুধু বিলটি পাস হয়ে আইনে পরিণত হলেই তার দল আগাম সাধারণ নির্বাচনকে সমর্থন করবে বলে জানান করবিন।

চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিট ঠেকানোর বিলটি এবার চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উচ্চকক্ষ হাউজ অব লর্ডসে পাঠানো হবে।

Bellow Post-Green View