চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

এই বছরেই করোনা ভ্যাকসিন বাজারে আনছে ফাইজার

অর্থনৈতিকভাবে লোকসানে থেকেও ফাইজারের কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেছেন ২০২০ সালের মধ্যে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন সরবরাহ করা যাবে।

ফাইজারের প্রধান নির্বাহী অ্যালবার্ট বউরলা বলেছেন: এই ওষুধ প্রতিষ্ঠানটি ২০২০ সালেই যুক্তরাষ্ট্রে ৪০ মিলিয়ন টিকার ডোজ সরবরাহ করতে পারবে যদি ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা যেমনটি ভাবা হয়েছে সেভাবেই চলে এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো ওষুধটিকে অনুমোদন দেয়।

বিজ্ঞাপন

বউরলা বলেন: সবকিছু ঠিকঠাকমতো চললে, আমরা শিঘ্রই প্রাথমিকভাবে কিছু ডোজ সরবরাহ করার জন্য তৈরি করতে পারবো। তিনি এই বছরের মধ্যে ৪০ মিলিয়ন ডোজ এবং ২০২১ সালে ১০০ মিলিয়ন ডোজ সরবরাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সরকারের চুক্তির দিকেই ইঙ্গিত করেছেন।

কিন্তু বউরলা এও বলেন যে, এখনও কোম্পানিটি টিকার কার্যকারিতা মূল্যায়নের মূল মানদণ্ডে পৌঁছায়নি। অক্টোবর নাগাদ তাদের হাতে সেসব তথ্য থাকবে বলে জানিয়েছিলো।

বিজ্ঞাপন

বউরলা বলেন, নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন চাইবে ফাইজার। সেটা আগের বেঁধে দেওয়া সময়ের সাথেই সামঞ্জস্যপূর্ণ।

ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা নিয়ে তার আশা সম্পর্কে জানতে চাইলে বউরলা বলেন, আমি সচেতনভাবে আশাবাদী ভ্যাকসিনটি কাজ করবে।

উপার্জনের কথা বললে, ফাইজারের লাভ ৭১ শতাংশ কমে ২.২ বিলিয়ন হয়েছে। একবছর আগেও লেনদেনের সাথে সম্পর্কযুক্ত একটি বড় অংশ লাভ ছিলো তাদের। 

আয় ৪ শতাংশ কমে ১২.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে রোগীদের সুস্থতার হার কম হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসের সঙ্গে সংযুক্ততায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার আয় হবে বলে প্রত্যাশা কোম্পানিটির।