চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

উপাচার্যের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যাচারের’ প্রতিবাদে জাবিতে মৌন মিছিল

উপাচার্যপন্থী শিক্ষকরা বলছেন, আন্দোলন করে উন্নয়ন বন্ধ করা যাবে না

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের কাজে বাধাসৃষ্টি এবং উপাচার্যের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে মৌন মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যপন্থী শিক্ষকরা।

প্রতিবাদ সমাবেশে শিক্ষকরা দাবি করছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মহাউন্নয়ন প্রকল্পকে ঘিরে একটি পক্ষ প্রতিনিয়ত ষড়যন্ত্র করছে। তিন দফা দাবিতে চলমান আন্দোলনের নামে তারা মিথ্যাচার চালিয়ে যাচ্ছে।  মনগড়া তথ্য দিয়ে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী ও দেশবাসীকে বিভ্রান্ত করছে। এই ধরণের পরিস্থিতি কখনোই কাম্য নয়।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ’ ব্যানারে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের সামনে থেকে শিক্ষকদের মৌন মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও কলা অনুষদ প্রদক্ষিণ করে পুরাতন প্রশাসনিক ভবনে উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

মৌন মিছিল শেষে প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষকদের অংশগ্রহণে প্রতিবাদে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।  প্রতিবাদ সভায় বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক মো. আব্দুল মান্নান চৌধুরী বলেন, ‘কোনো আন্দোলন করে উন্নয়ন কাজ বন্ধ করা যাবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি নির্দিষ্ট মহল উন্নয়ন বন্ধ করার জন্য চক্রান্ত করছে। আমি বিশ্বাস করি তাদের চক্রান্ত সফল হবে না।’

বিজ্ঞাপন

বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের স্বার্থে বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান জরুরি বলে মনে করেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক অজিত কুমার মজুমদার।

আন্দোলনকারীদের আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সবকিছুরই একটি সুষ্ঠু সমাধান থাকে।  আন্দোলন কোনো সমাধান হতে পারে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের স্বার্থে আলোচনা করে উদ্ভুত সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে।  তাই বিষয়টি সমাধানের লক্ষ্যে সবাইকে আলোচনায় বসতে হবে।’

পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক আলমগীর কবিরের সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক বশির আহমেদ, অধ্যাপক সোহেল আহমেদ, অধ্যাপক আলী আজম তালুকদার, অধ্যাপক আবদুল্লাহ হেল কাফী, অধ্যাপক রাশেদা আখতার প্রমুখ।

মৌন মিছিল ও পরবর্তী প্রতিবাদ সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও ইনিস্টিউটের প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।

বিজ্ঞাপন