চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

উখিয়া ও রামু থেকে ২ জনের মৃতদেহ উদ্ধার

কক্সবাজারের উখিয়া ও রামু থেকে গুলিবিদ্ধ এক মাদক ব্যবসায়ী এবং কুপিয়ে হত্যা করা চিহ্নিত এক ডাকাতের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় উখিয়ায় ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ইয়াবাসহ অস্ত্র ও গুলি।

উখিয়া থানার ওসি আবুল মনসুর জানান, মঙ্গলবার সকালে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়ক সংলগ্ন উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের চিরাইখালের পাড় থেকে গুলিবিদ্ধ মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

নিহত নজরুল ইসলাম চৌধুরী (৩৫) উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের টাইপালং এলাকার মৃত দরবেশ আলী সিকদারের ছেলে।

মনসুর বলেন, সকালে জালিয়াপালং ইউনিয়নের চিরাইখাল পাড়ে একটি মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুলিবিদ্ধ মৃতদেহটি উদ্ধার করে।

ঘটনাস্থলে তল্লাশী করে পাওয়া যায় ১টি দেশি বন্দুক, ৩টি গুলি ও ৫০০টি ইয়াবা।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাদক ব্যবসায়িদের দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্বের জের ধরে গোলাগুলির ঘটনায় নজরুল ইসলাম নিহত হয়েছে। তার শরীরে গুলিবিদ্ধ হওয়ার ২টি চিহ্ন রয়েছে।

ওসি বলেন, নজরুল ইসলাম চৌধুরী একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। মাদক ব্যবসার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলায় সে দীর্ঘদিন ধরে এলাকা ছাড়া ছিল।

বিজ্ঞাপন

নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে বলে জানান ওসি মনসুর।

মঙ্গলবার সকাল ১১ টার দিকে রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের বড়বিল থোয়াইঙ্গাকাটা পাহাড়ী এলাকা থেকে প্রতিপক্ষের হাতে কুপিয়ে হত্যার শিকার চিহ্নিত এক ডাকাতের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে বলে জানিয়েছেন রামু থানার ওসি (তদন্ত) মিজানুর রহমান।

নিহত আব্দুল মোতালেব (৪০) একই গর্জনিয়া ইউনিয়নের বড়বিল থোয়াইঙ্গাকাটা এলাকার মোহাম্মদ হাসান ওরফে ডাবল হাজীর ছেলে।

ওসি মিজানুর বলেন, মঙ্গলবার সকালে গর্জনিয়ার বড়বিল থোয়াইঙ্গাকাটা পাহাড়ী এলাকায় একটি মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহটি উদ্ধার করেছে।

তিনি জানান, নিহতের শরীরের পিছনে পিটে এবং ঘাড়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে ধরে নিয়ে গিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে ফেলে রেখেছে।

ওসি বলেন, আব্দুল মোতালেব একজন চিহ্নিত ডাকাত। রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ির বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতির ঘটনায় নেতৃত্ব দিতো। ডাকাতির ঘটনায় জড়িত অভিযোগে তার বিরুদ্ধে রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় ৪/৫টির বেশী মামলা রয়েছে।

নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান ওসি মিজানুর।

Bellow Post-Green View