চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ঈদে ভালো নেই টাঙ্গাইলের বিশেষ পেশার মানুষেরা

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে দুই মাস ধরে অবরুদ্ধ টাঙ্গাইলের যৌনপল্লী। বিচ্ছিন্ন এই পল্লীতে আয়ের উৎস বন্ধ থাকায় দেখা দিয়েছে মানবিক বিপর্যয়। সংক্রমণ রোধ ও মানবিক বিপর্যয় ঠেকাতে সরকারের বিশেষ সুবিধা চান তারা।

ছদ্মনাম হাসি। তার নয় মাসের শিশুটি পাঁচদিন ধরে জ্বরে আক্রান্ত। টাকার অভাবে নূন্যতম চিকিৎসাও করাতে পারছেন না। যেখানে শিশু খাদ্য ও পথ্যের যোগান অলিক স্বপ্ন সেখানে ঈদের কথা মনে করতেই পারছেন না।

বিজ্ঞাপন

প্রায় সাড়ে পাঁচশ কর্মী ও তাদের পরিবার পরিজনের আবাসস্থলের এই যে দৃশ্য তা চিরচেনা দৃশ্য নয়। এখন যা খা খা বিরানভূমি তা করোনাকালের আগে ছিলো মানুষে মানুষে সরগরম। এখন সেই মানুষে মানুষে মেলামেশা বন্ধ থাকায় তার প্রভাব পড়েছে তাদের জীবন ও ঈদে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

নারী মুক্তি সংঘের কার্যকরী সদস্য বেবী আক্তার জানান, বিগত দুই মাসে মাত্র ৪০ কেজি চাল ও নগদ ৫০০ টাকা পেয়েছেন। আগামীতে নিয়মিত অর্থ সহায়তা না পেলে তাদের আটকে রাখা যাবেনা বলে জানালেন এই নেত্রী।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম নগদ সহায়তার বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে বলে জানান।

গেল মার্চের বিশ তারিখ থেকে তিন দশমিক এক একর জায়গার এই যৌনপল্লীতে ২ হাজার মানুষ লকডাউনে বন্দী জীবনযাপন করছে। সরকারি সহায়তা না পেলে তাদের সারা দেশেই ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।