চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ঈদযাত্রায় ভোগান্তি কমাতে সরকারের নানা পরিকল্পনা

ঈদের আগে সড়কে যেনো কোনোরকম হাট-বাজার বসতে না পারে সেজন্য মাঠ পর্যায়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও টিকিট বিক্রির পর থেকেই বাস টার্মিনালগুলোতে যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে ভিজিলেন্স টিম থাকবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে  সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।

ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা ভোগান্তি কমাতে এসব পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালেয় বৈঠক শেষে এ কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞাপন

পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বৈঠকে আরো সিদ্ধান্ত হয়, পথে যেনো যানজট সৃষ্টি না হয় এজন্য ট্রাফিক পুলিশ সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে গঠিত মনিটরিং টিম থাকবে। ঈদের আগের সাত দিন এবং ঈদের পরের পাঁচ দিন পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টা সিএনজি স্টেশনগুলো খোলা থাকবে এবং ঈদের আগের তিন দিন এবং পরের তিন দিন জরুরি পণ্য ছাড়া সড়ক-মহাসড়কে কোন ট্রাক-লরি চলতে পারবে না।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ সময় জানান: অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর সড়ক-মহাসড়ক অপেক্ষাকৃত ভালো। তাই এবার ঘরে ফেরা মানুষের যাতায়াত অধিকতর স্বস্তিদায়ক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বিজ্ঞাপন

এছাড়া ঈদের আগের দিন যাত্রীদের অধিক চাপ নিয়ন্ত্রণে গার্মেন্টসসমূহ ধাপে ধাপে ছুটি দেয়ার জন্য বিজিএমইএ’কে অনুরোধ করা হবে বলেও তিনি জানান।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান: ঈদের আগে তিন দিন ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও লরি চলাচল বন্ধ থাকলেও নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য, গার্মেন্টস সামগ্রী, পঁচনশীল দ্রব্য, ঔষধ এবং জ্বালানী বহনকারী যানবাহনসূহ এর আওতামুক্ত থাকবে।

প্রতিবছরের ন্যায় এবারও ঈদ স্পেশাল সার্ভিস পরিচালনা করবে বিআরটিসি। এবারে বিআরটিসি’র বহরে আরও যুক্ত হবে নতুন ক্রয়কৃত দেড় শতাধিক বাস। এছাড়া কোথাও যানজট কিংবা পরিবহনের সংকট দেখা দিলে তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিআরটিসি’র অতিরিক্ত বাস প্রস্তুত রাখা হবে বলে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব জানান।

তিনি আরও জানান: ঈদের সময় মহাসড়কে যানবাহন চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে টোলপ্লাজাসমূহের সকল বুথ চালু রাখা হবে। কঠোরভাবে ২২টি জাতীয় মহাসড়কে থ্রি-হুইলার অটোরিকশা এবং সকল শ্রেণির অযান্ত্রিক যানবাহন চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে।