চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ই-সিগারেটসহ তামাকজাত পণ্যের অনলাইন বিজ্ঞাপন বন্ধ চায় ই-ক্যাব

অনলাইনে ই-সিগারেট সহ তামাকজাত পণ্যের বিজ্ঞাপন ও বিপণন বন্ধের আহবান জানিয়েছে ই-কমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ই-ক্যাব ও ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এক অনলাইন সেমিনারে এ আহবান জানানো হয়।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

সেমিনারের আলোচ্য বিষয় ছিল- ‘ই-সিগারেট স্বাস্থ্যের জন্য কতটা ক্ষতিকর ও তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ও তার বাস্তবায়নে অনলাইন উদ্যোক্তাদের করণীয়’।

বিজ্ঞাপন

সেমিনারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ন্যাশনাল প্রফেশনাল অফিসার ডা. সৈয়দ মাহফুজুল হক বলেন, তামাক সবদিক দিয়েই ক্ষতিকর। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সিগারেট ছেড়ে দেবার উপায় হিসেবে ই-সিগারেটকে স্বীকৃতি দেয়নি। ভারতে এটি পুরোপুরি নিষিদ্ধ। পৃথিবীর আরো অনেক দেশেও ই-সিগারেট ক্ষতিকর বলেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আমাদের দেশেও ই-সিগারেট নিষিদ্ধ করা এখন সময়ের দাবি।

ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য ও ওয়াস সেক্টরের পরিচালক ইকবাল মাসুদ বলেন, ই-সিগারেট বর্তমান প্রজন্মের কাছে স্টাইল ও আভিজাত্যের প্রতীক। আর যুব সমাজ যেহেতু অনলাইনের উপর অনেকাংশেই নির্ভরশীল, সুতরাং অনলাইনে তামাকজাত পণ্যের সহজলভ্যতা তাদেরকে ই-সিগারেটের প্রতি আরো উৎসাহিত করবে। অনলাইনে ই-সিগারেটসহ তামাকজাত পণ্যে বিক্রয় বন্ধে ই-ক্যাব এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

ই-ক্যাবের সহ-সভাপতি সাহাব উদ্দীন শিপন বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ব্যবসায়ীদের উচিত সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর এমন কিছু বিক্রয় না করা। অন্তত নৈতিক দিক বিবেচনা করে হলেও ব্যবসায়ীদের উচিত তামাকজাত পণ্যে বিক্রয় না করা। ই-ক্যাবের সদস্যদের কাছে আমার এ ব্যাপারে অনুরোধ থাকবে যাতে আমরা ই-সিগারেট সহ তামাকজাত পণ্য বিক্রয় করা থেকে বিরত থাকি। এছাড়া আগামীতে ডিজিটাল কমার্স নীতিমালা, আইসিটি নীতিমালা ও শুদ্ধাচার নীতিমালা সংশোধনে এই বিষয়ে সুপারিশ উত্থাপন করা হবে বলে তিনি জানান।

ই-ক্যাবের ই-হেলথ স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ডা. সালেহ মাহমুদ তুষার বলেন, বিশ্বের ৪১টি দেশে ইতিমধ্যে ই-সিগারেট নিষিদ্ধ করছে। অন্য দেশগুলোতেও এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। আমাদের দেশে এখন পর্যন্ত ই-সিগারেট বন্ধে কোন আইন নেই। জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে সংশ্লিষ্টদের উচিত এ ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

বিজ্ঞাপন